মার্কিন ভেটোয় বানচাল জাতিসংঘের জঙ্গি-প্রস্তাব | বিশ্ব | DW | 01.09.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

মার্কিন ভেটোয় বানচাল জাতিসংঘের জঙ্গি-প্রস্তাব

জঙ্গিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা নিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাবে ভেটো দিল অ্যামেরিকা। তাদের মতে, এখানে আইএসের বিদেশি যোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের কোনো উল্লেখ নেই।

জাতিসংঘের প্রস্তাবে অ্যামেরিকার ভেটো। প্রস্তাবটি ছিল সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িতদের পুনর্বাসন, শাস্তি ও সমাজের মূল স্রোতে নিয়ে আসার ব্যবস্থা। অ্যামেরিকার মত হলো, এর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ বাদ চলে গেছে। সেটা হলো আইএস গোষ্ঠীর বিদেশি যোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের পুনর্বাসনের বিষয়টি। 

জাতিসংঘে মার্কিন দূত কেলি ক্রাফট বলেছেন, ''ইন্দোনেশিয়া সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা চালু করা নিয়ে যে প্রস্তাব এনেছে, সেটা খুবই খারাপ। এটা কোনো প্রস্তাবই নয়।''

ইন্দোনেশিয়ার এই প্রস্তাবের পক্ষে নিরাপত্তা পরিষদে ১৪টি ভোট পড়েছিল, আর বিপক্ষে শুধু অ্যামেরিকা। যেহেতু অ্যামেরিকার ভেটো দেয়ার ক্ষমতা আছে, তাই একমাত্র তারা বিরোধিতা করার ফলে প্রস্তাবটি খারিজ হয়ে গেল।

ক্রাফট বলেছেন, ''এই প্রস্তাবে প্রথম ধাপের উল্লেখই নেই। সেটা হলো নিজেদের দেশে তাঁদের পুনর্বাসনের বিষয়টি।'' অ্যামেরিকার দাবি, আইএসের বিদেশি যোদ্ধাদের তাঁদের দেশে শাস্তি দিতে হবে এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স সহ ইউরোপের দেশগুলি অ্যামেরিকার এই মত সমর্থন করেনি। তারা বরং মনে করছে নিজের দেশে ওই সব জঙ্গিদের ওপর লোকের ক্ষোভ আছড়ে পড়তে পারে। তাঁরা আক্রান্ত হতে পারেন। তাছাড়া ইরাক বা সিরিয়ায় তাঁরা যে অপরাধ করেছেন, তার প্রমাণ জোগাড় করাও মুশকিল।  

জঙ্গিদের পরিবার সম্পর্কে প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, তাঁদের বাচ্চারা নিজেদের দেশে ফিরতে পারবেন। তবে প্রতিটি মামলা খতিয়ে দেখে তারপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। 

ঘটনা হলো সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে আইএস তার নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। মূলত কুর্দদের নিয়ে গঠিত সিরিয়ান ডিফেনসিভ ফোর্স(এসডিএফ) দেশের উত্তর পূর্বের এলাকায় হাজার হাজার  বিদেশি যোদ্ধাকে আটক করেছে। বড় বড় শিবিরে অভিযুক্ত জঙ্গিদের স্ত্রী ও বাচ্চাদের রাখা হয়েছে।

জাতিসংঘ ওই সব শিবিরের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বিদেশি যোদ্ধা ও তাঁদের পরিবার নিয়ে যত তাড়াতাড়ি প্রস্তাব নেয়া যাবে তত ভালো। তা হলে জঙ্গি কার্যকলাপ বড়ার সম্ভাবনাও কমবে।

যুক্তরাজ্যের বিদেশ অফিস থেকে বলা হয়েছে, ''প্রস্তাব অনুমোদিত না হওয়ায় আমরা ক্ষুব্ধ। আমরা বিদেশি যোদ্ধাদের ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করছিলাম।''

করোনাকালে নিজেদের ভোট ই মেল করে দিয়েছিল দেশগুলি। কিন্তু অ্যামেরিকার ভেটোর ফলে এই প্রয়াস বানচাল হয়ে গেল। 

জিএইচ/এসজি(রয়টার্স, এপি, এএফপি)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়