মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল রেস এগোচ্ছে ট্রাম্প-ক্লিন্টনের দিকে | বিশ্ব | DW | 04.05.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল রেস এগোচ্ছে ট্রাম্প-ক্লিন্টনের দিকে

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইন্ডিয়ানায় বিপুল ভোটে জেতার পর প্রাইমারি পর্যায়ে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সেনেটর টেড ক্রুজ হাল ছেড়েছেন৷ ডেমোক্র্যাট তরফে বার্নি স্যান্ডার্স জিতলেও, সামগ্রিকভাবে হিলারি ক্লিন্টন এগিয়ে৷

ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন প্রথমে তাঁর নিজের দলকে বিজিত করে তারপর প্রতিপক্ষের মহড়া নেবেন৷ প্রথম আবির্ভাবেই তাঁর এই নির্বাচনি সাফল্যকে কোনো সভ্যতা-ভব্যতার রীতিনীতি দিয়ে মাপা কিংবা বোঝার উপায় নেই৷ তাঁর পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি হলো, তিনি জিতছেন ও জিতে চলেছেন৷ অন্তত রিপাবলিকান দলে এমন কোনো রাজনীতিক নেই, যাকে প্রার্থী হিসেবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে খাড়া করা চলে৷ টেড ক্রুজ সেটা বুঝেছেন বলেই তাঁর ক্যামপেইন সমাপ্ত করলেন৷

সর্বশেষ প্রাইমারির আগে দু'জনে পরস্পরের বিরুদ্ধে অতিশয় তিক্ত ও অংশত রুচিহীন মন্তব্য করলেও, বিজয়ের পরেই ট্রাম্প তাঁর সুর পাল্টে ফেলে ক্রুজকে প্রশংসা করেছেন৷ স্পষ্টতই তাঁর নজর নভেম্বরের লড়াইয়ের দিকে, যার আগে তিনি রিপাবলিকান সমর্থনকে – যতদূর সম্ভব – একত্রিত করতে চান৷

ভোটের পর সারা পেলিন স্বয়ং ইন্ডিয়ানার ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘‘আমরা আমাদের বিপ্লবীকে খুঁজে পেয়েছি৷'' বস্তুত বাজারে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে, ট্রাম্প পেলিনকে তাঁর ‘রানিং মেট', অর্থাৎ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করবেন কিনা – যার অপর সুবিধা হবে, মহিলা হিসেবে মহিলা ভোটারদের কাছে ক্লিন্টনের আবেদন কিছুটা কমতে পারে৷ তৃতীয়ত, টেড ক্রুজের টি পার্টি আন্দোলন সতীর্থরা ট্রাম্পের দিকে ঝুঁকতে পারেন৷

ট্রাম্পের জয়যাত্রা নিয়ে রিপাবলিকান দলে গভীর অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে৷ কিছু রিপাবলিকান নেতা বলেছেন, তাঁরা ট্রাম্পকে সমর্থন করার কথা ভাবতেই পারেন না৷ ওদিকে চূড়ান্ত মনোনয়ন নিশ্চিত করতে ট্রাম্পের আর মাত্র ২০০ ডেলিগেট প্রয়োজন৷ হিলারি ক্লিন্টনও তাঁর প্রয়োজনীয় ডেলিগেটদের ৯২ শতাংশ ইতিমধ্যেই যোগাড় করে ফেলেছেন৷

নভেম্বরে ক্লিন্টনের মুখোমুখি হওয়ার আগে ট্রাম্পকে দেখাতে হবে, তিনি জাতির প্রেসিডেন্ট হবার আগে দলের প্রার্থী হবার ক্ষমতা রাখেন – যার প্রথম পরীক্ষা হবে আগামী ১৮ থেকে ২১শে জুলাই ওহাইও-র ক্লিভল্যান্ডে রিপাবলিকান পার্টির কনভেনশনে৷ সেখানেও ট্রাম্পকে রোখার একটা শেষ চেষ্টা করা হতে পারে৷

টুইটারে ট্রাম্পের উত্থানকে ইতিমধ্যেই প্রিমিয়ার লিগে লেস্টার সিটির চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে – তার সবটাই কিছু ঠাট্টা করে নয়৷

এসি/ডিজি (এপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন