মামলায় সব আসামির নাম না থাকায় পরীমনির আপত্তি | বিশ্ব | DW | 01.12.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

মামলায় সব আসামির নাম না থাকায় পরীমনির আপত্তি

রাজধানীর বোট ক্লাবে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় তিনজনকে আসামি করে পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে চিত্রনায়িকা পরীমনি অসন্তুষ্ট৷ এজাহারের ‘অজ্ঞাতপরিচয়' আসামিদের নাম না আসায় আদালতে আপত্তি জানিয়েছেন তিনি৷

পরীমনি

পরীমনি

পরীমনি বুধবার ঢাকার ৯ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গিয়ে এ বিষয়ে ‘নারাজি' আবেদন করেন বলে তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সৌরভী ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান৷ তিনি বলেন, ‘‘বিচারক হেমায়েত উদ্দিন নথি পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে আদেশ দেবেন৷”

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন গত ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেন৷ মামলায় উত্তরা ক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন মাহমুদ, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহিদুল আলমকে আসামি করা হয়৷  

এবং মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য হাকিম আদালত থেকে ৯ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়৷  মামলার প্রধান দুই আসামি নাসির ও তুহিন হাকিম আদালত থেকে জামিন পান৷ আদালত বদল হওয়ায় বুধবার তারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন৷ 

ঢাকা বোট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন আবাসন ব্যবসায়ী নাসির মাহমুদ৷ ১৩ জুন এক ফেসবুক পোস্টে তাকে রেপ এবং হত্যার চেষ্টা  করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে বিচার চেয়েছেন পরীমনি৷ ফেসবুকে পোস্টটি দেওয়ার পরপরই গুলশানে নিজের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি৷ পরদিন ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন চিত্রনায়িকা৷ তার অভিযোগ, ৮ জুন রাতে তাকে ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টায় নাসিরউদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমি ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়৷

 মামলা হওয়ার পর ব্যবসায়ী নাসিরসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ৷

তিন মাস পর আদালতের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তুহিন সিদ্দিকী অমি পরীমনিকে ‘কৌশলে' বোট ক্লাবে নিয়ে যান৷ সেখানে আসামি নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও শহিদুল আলম মামলার বাদী পরীমনিকে ‘গালাগাল করে অশালীন আচরণ করে শরীর স্পর্শ' করেন৷ এতে পরীমনি ক্ষিপ্ত হলে তাকে ‘শ্লীলতাহানির চেষ্টা' করা হয়৷

গত ৪ আগস্ট বনানীর বাসা থেকে র‌্যাব বিদেশি মদসহ পরীমনিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব৷ মামলায় ১ সেপ্টেম্বর জামিনে ছাড়া পান পরীমনি৷  মামলায় পরীমনির বিরুদ্ধে সিআইডি ইতোমধ্যে অভিযোগপত্র দিয়েছে৷

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন