মাফিয়া হুমকির পরে সাংবাদিকের ′দুর্ঘটনায়′ মৃত্যু | বিশ্ব | DW | 14.06.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

মাফিয়া হুমকির পরে সাংবাদিকের 'দুর্ঘটনায়' মৃত্যু

লিকার মাফিয়াদের নিয়ে খবর করার পর উত্তর প্রদেশে টিভি সাংবাদিক সুলভ শ্রীবাস্তবের 'দুর্ঘটনায়' মৃত্যু হয়েছে।

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

সুলভ কাজ করতেন এবিপি গঙ্গায়। তিনি লিকার মাফিয়া নিয়ে খবর করেছিলেন। তারপরই তিনি পুলিশকে জানিয়েছিলেন, মাফিয়ারা তাকে হুমকি দিচ্ছে। তার জীবনের ঝুঁকি আছেো। এরপরই রোববার রাতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে।

প্রতাপগড়ের পুলিশ সুপার সুরেন্দ্র দ্বিবেদী জানিয়েছেন, ''সুলভ শ্রীবাস্তব মিডিয়া কভারেজের পর রাত এগারোটা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলেন। একটা ইটভাটির কাছে তিনি বাইক থেকে পড়ে যান। কয়েকজন শ্রমিক দেখতে পেয়ে তাকে ধরে তোলেন। তার ফোন থেকে তিনি সুলভের বন্ধুদের ফোন করেন। অ্যাম্বুলেন্সও ডাকেন। তাকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।''

দ্বিবেদী জানিয়েছেন, ''বাইকে শ্রীবাস্তব একা ছিলেন। তার বাইকের সঙ্গে একটা ট্রাকের ধাক্কা লাগে। তাতেই তিনি পড়ে যান। পুলিশ বিষয়টি সব দিক থেকে তদন্ত করে দেখছে।''

তবে মৃত সাংবাদিকের ছবি থেকে দেখা যাচ্ছে, তিনি রাস্তায় শুয়ে আছেন। তার মুখ ক্ষতবিক্ষত। তার শার্ট খুলে গেছে। শার্টের বোতামও খোলা। প্যান্টও খোলা ও নামানো।

পুলিশকে শ্রীবাস্তব জানিয়েছিলেন, তিনি মনে করছেন, মাফিয়ারা তাকে হত্যা করতে পারে। তার সেই চিঠিও অনেক সাংবাদিক সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন।

শ্রীবাস্তব লিখেছিলেন, ''লিকার মাফিয়া নিয়ে একটা রিপোর্ট গত ৯ জুন আমার চ্যানেলের নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছিল। তারপরই আমি বাড়ি থেকে বেরলেই মনে হয়, কেউ আমাকে অনুসরণ করছে। আমার সূত্ররা আমাকে জানিয়েছে, লিকার মাফিয়ারা রিপোর্ট প্রকাশের পর খুবই ক্ষুব্ধ। ওরা আমার ক্ষতি করতে পারে। আমার পরিবারও খুবই উদ্বিগ্ন।''

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা প্রেম প্রকাশ এবিপি নিউজকে জানিয়েছেন, তিনি এই চিঠির বিষয়টি জানতেন। তিনি স্থানীয় পুলিশকে বলেছিলেন, শ্রীবাস্তবের বিপদের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে।

কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী টুইট করে বলেছেন, ''লিকার মাফিয়ারা হত্যা করল, অথচ, সরকার চুপ। সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশ করতে অস্বস্তিকর প্রশ্ন করছে। আর সরকার ঘুমাচ্ছে।''

জিএইচ/এসজি(এনডিটিভি)