মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: কোন পথে বাংলাদেশ? | আলাপ | DW | 19.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সংবাদভাষ্য

মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: কোন পথে বাংলাদেশ?

বাংলাদেশ সরকার মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে৷ কিন্তু এ অভিযান হওয়া উচিত ‘সঠিক’ তালিকা ধরে, নিরপেক্ষভাবে৷ তাহলে অভিযানে সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা থাকবে এবং তখন প্রকৃত মাদক চোরাচালানকারীরাও রেহাই পাবে না৷

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে এ পর্যন্ত মারা গেছে ১৫০ জন, আটক হয়েছে ১৪,০০০৷ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী এবং তারা বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন৷ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন শুরু থেকেই বলে আসছে – এগুলো বিচার বর্হিভূত হত্যা৷ কিন্তু সরকার সে দাবি অগ্রাহ্য করে অভিযান অব্যাহত রাখে৷

গত এক দশকে বাংলাদেশে মাদক পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে৷ একসময় দেশের তরুণ সমাজের মধ্যে ভারতীয় কফ সিরাপ ‘ফেনসিডিল’ আসক্তি ছিল বড় সমস্যা৷ পরে সেই স্থানটি দখল করে নেয় মিয়ানমার থেকে আসা উত্তেজক বড়ি ‘ইয়াবা’৷ যদিও কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই, তবে ধারণা করা হয়, বিভিন্ন পেশাজীবী এবং নানা বয়সি মানুষের মধ্যে ইয়াবা আসক্তি ছড়িয়ে পড়েছে৷ ২০১৭ সালে বিভিন্ন সংস্থা উদ্ধারই করেছে চার কোটি ইয়াবা, যা ২০১৫ সালের দ্বিগুণ৷ এ থেকেই ইয়াবাসেবীদের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়৷ ইয়াবা আসক্তির এই ভয়াবহ প্রেক্ষাপটে সরকারের মাদকবিরোধী অভিযান কিছুটা জনসমর্থন পেয়েছে বলে মনে হয়েছে৷ কিন্তু কক্সবাজারের তথাকথিত ‘বন্দুক যুদ্ধে’ নিহত একরামুল হকের এক অডিও নিন্দা আর প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে দেশে-বিদেশে৷ জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থাসহ বেশ কয়েকটি আর্ন্তজাতিক সংস্থা বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধসহ একরামের মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আহ্বান জানিয়েছে৷ জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারের মাদকবিরোধী অভিযানের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে৷ তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন৷

এশিয়া এবং ল্যাটিন অ্যামেরিকার বেশ কয়েকটি দেশও এ ধরনের অভিযান চালিয়ে মাদকাসক্তির কবল থেকে মুক্তির পথ খঁজেছে৷ কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, সেগুলো ব্যর্থ হয়েছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেশগুলোতে নৈরাজ্য ও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে৷

এক্ষেত্রে থাইল্যান্ড খুব ভালো উদাহরণ৷ মাদক সমস্যা প্রকট আকার ধারণকরলে তৎকালীন থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা ২০০৩ সালে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেন৷ দেশ থেকে মাদক নির্মূল করতে পরিচালিত অভিযানে তিন মাসে  তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২,৮১৯ জনের মৃত্যু হয়৷ সংখ্যাগরিষ্ঠ থাই জনগণ থাকসিনের অভিযানকে সমর্থন দিয়েছিল৷ কারণ, তারা চেয়েছিল, থাইসমাজ থেকে মাদক নির্মূল হোক৷ থাকসিনের সে অভিযান থাইল্যান্ডকে মাদকমুক্ত করতে পারেনি, বরং, ওই অভিযানের কারণে তাঁকে এবং তাঁর দেশকে অনেক খেসারত দিতে হয়েছে৷ অভিযানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে একের পর এক মানুষের মৃত্যুতে সারা বিশ্বে সমালোচনার ঝড় ওঠে৷ জাতিসংঘ, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিন্দা জানায় এবং থাকসিনকে অভিযান বন্ধের আহবান জানায়৷ থাকসিন সে আবেদনকে গুরুত্ব না দিয়ে অভিযান অব্যাহত রাখেন৷ এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে থাইল্যান্ড চাপের মুখে পড়ে৷ অন্যদিকে, থাইল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়ে৷ থাকসিনের বিরোধীরা অবস্থার সুযোগ নিয়ে সংগঠিত হয়ে দেশটিতে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি করে, যার পরিণতি ২০০৬ সালে সেনাবাহিনীর কু এবং থাকসিন সরকারের পতন, যা দেশটির গণতান্ত্রিক ধারাবাহিতকায় একটি কঠিন আঘাত৷

একই ধরনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে ফিলিপাইন্সে৷ দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান ঘোষণা করেন ২০১৬ সালে৷ গত দুই বছরে দেশটিতে ১২,০০০-এরও বেশি মানুষ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা গেছে৷ হিউম্যানরাইটস ওয়াচের তদন্তে পাওয়া গেছে, অধিকাংশ ঘটনাই বিচার বর্হিভূত হত্যা৷ পুলিশ এবং তাদের এজেন্টরা আত্মরক্ষার মিথ্যে অজুহাতে এই হত্যায় অংশ নেয়৷ কিন্তু প্রবল সমালোচনার মুখেও দুতার্তে তাঁর অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন৷ এ প্রসঙ্গে তাঁর  বক্তব্য ছিল, ‘‘মানবাধিকার আইনকে ভুলে যাও৷’’

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, এ অভিযানের কারণে দেশটিতে অপরাধ কিছুটা কমলেও মাদকসমস্যা নির্মূল হয়নি৷ ল্যাটিন অ্যামেরিকার দেশ মেক্সিকো এবং কলাম্বিয়াও শক্তি প্রয়োগ করে মাদক সমস্যা মোকাবেলায় ব্যর্থ৷

বাংলাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান নতুন নয়, তবে থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন্সের ঢঙে অভিযানের শুরু মে মাসের শুরুতে৷ এই অভিযানের ফলে হয়ত কিছুদিনের জন্য মাদকের ব্যাপকতা কিছুটা কমবে, কিন্তু মাদক নির্মূল বা এর পাচার ও সেবন কোনোটাই পুরোপুরি বন্ধ হবে না৷ কারণ, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও ভুল পদ্ধতি বেছে নিয়েছে৷ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করে তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের মাধ্যমে মাদক নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে, যা কোথাও সফল হয়নি৷

এম আবুল কালাম আজাদ

এম আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক

এই ব্যর্থতার কারণ বহুমাত্রিক৷ প্রথমত, দেশগুলো মাদকাসক্তির মূল কারণকে পাশ কাটিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে বলপ্রয়োগ করে বন্ধ করতে চেয়েছে৷ দ্বিতীয়ত, মাদক সমস্যার মূল উৎস এবং সরবরাহ চেইন ধ্বংস না করে বিপণন ও বিতরণ পর্যায়ে অভিযান চালানো হয়েছে৷ ফলে মাঠ পর্যায়ের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, বিক্রেতা বা মাদকসেবীরা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে, প্রকৃত মাদকব্যবসায়ী বা রাঘব-বোয়ালরা ঠিকই পার পেয়ে গেছে৷ থাইল্যান্ডের অভিযানে বড় মাদক ব্যবসায়ী বা তাদের রাজনৈতিক গডফাদারদের নাম অপরাধীদের তালিকায় ছিল না এবং তারা ওই অভিযান থেকে রেহাইও পেয়ে যায়৷ ফিলিপাইন্সে বেসরকারি সংস্থাগুলো মাদকবিরোধী অভিযানকে ‘গরিবের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ বলে অভিহিত করেছে৷ কারণ আটক এবং বন্দুকযুদ্ধে নিহতদের অধিকাংশই দরিদ্র এবং ছোট মাদক ব্যবসায়ী, বিক্রেতা ও মাদকসেবী৷ এভাবে উৎস এবং সরবরাহ ব্যবস্থা অক্ষত থাকায় সাময়িকভাবে মাদকসামগ্রী বিক্রি ও সেবন বন্ধ থাকে, কিন্তু কিছুদিন পর পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে যায়৷

তৃতীয়ত, এই ধরনের অভিযানে অপরাধীদের সঙ্গে অনেক নিরপরাধ মানুষ মারা গেছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা এই ধরনের অভিযানকে বিতর্কিত করেছে এবং এক পর্যায়ে জনসমর্থন হারিয়েছে৷ থাইল্যান্ডে ২০০৬ সালে এক স্বাধীন অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, বন্ধুকযুদ্ধে নিহতদের অন্তত অর্ধেকের সঙ্গে মাদকের কোনো সম্পর্ক ছিল না৷ অন্যদিকে, ফিলিপাইন্সে গোপন ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিওতে দেখা গেছে, সাদা পোষাকধারী পুলিশ ১৭ বছরের এক তরুণকে ধরে নিয়ে হত্যা করেছে৷ এই ভিডিওচিত্র অনেক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে দেশটিতে৷

বাংলাদেশে সবগুলো কারণই সুস্পষ্ট৷ ইতোমধ্যে অভিযোগ উঠেছে যে, অভিযানে নিরীহ মানুষকে ধরে নিয়ে হত্যা করা হচ্ছে৷ একরাম নিহত হওয়ার পূর্ব মুহূর্তের কথোপকথনের অডিও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে, যা জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে৷ তাছাড়া নিহতের নাম মাদক চোরাচালানকারীদের তালিকাতেও ছিল না৷ বরং তালিকায় থাকা গডফাদাররা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে৷ তাদের অনেককেই আত্মগোপন ও পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে৷ সরকারদলীয় সাংসদ আব্দুর রহমান বদি ইয়াবা চোরাচালানের সবচেয়ে বড় গডফাদার হিসেবে পরিচিত৷ অপরাধী তালিকায় তার নাম থাকা সত্ত্বেও তাকে গ্রেফতার করা হয়নি৷ তালিকায় সরকারদলীয় রাজনীতিবিদ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাসহ মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নামও রয়েছে, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি৷ থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন্সের মতো বাংলাদেশেও অভিযানে কেবল ছোটখাটো মাদক ব্যবসায়ী ও বিক্রেতারা মারা গেছে৷ পুলিশ যদিও দাবি করছে, অনেক মাদক ব্যবসায়ী নিজেদের মধ্যে মারামারিতে মারা গেছে, তবে মানবাধিকার কর্মীদের দাবি এগুলো বিচারবর্হিভূত হত্যা৷ আর একরামের শেষ মুহূর্তের অডিও সে দাবিকে জোরালো করেছে৷

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে বিশেষ ক্ষমতা প্রদানের সবচেয়ে নেতিবাচক দিক হচ্ছে, প্রায়শই এই ক্ষমতা বাহিনীর সদস্যদের স্বেচ্ছাচারী করে তোলে, যা ভয়াবহ দুর্নীতি বা ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নিতে ব্যবহার করা হয়৷ নারায়ণগঞ্জে ব়্যাব সদস্যদের হাতে সাত খুনের ঘটনা তার প্রমাণ৷ এক কাউন্সিলর অর্থের বিনিময়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যার কাজে ব়্যাবের কিছু সদস্যকে ব্যবহার করেছে৷ মাদকবিরোধী এই অভিযানেও ক্ষমতার অপব্যবহারের কিছু অভিযোগ উঠেছে৷

মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে হলে কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় আনা জরুরি৷ প্রথমত, সন্ত্রাস আর জঙ্গিবাদের মতো মাদকও একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয়  সমস্যা, যা কোনো একটি দেশের পক্ষে একা মোকাবিলা বা নির্মূল করা সম্ভব নয়৷ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশকে নিয়ে  মাদকের উৎপাদন ও পাচার নির্মূলের চেষ্টা করতে হবে৷ যেমন ইয়াবা বাংলাদেশ-মিয়ানমার ও থাই-মিয়ানমার সীমান্তে তৈরি হয় এবং সেটি বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডে পাচার হয়৷ কিন্তু দুই দেশের কেউই তাদের অভিযানে মিয়ানমারকে সম্পৃক্ত করেনি বা করতে পারেনি৷ তবে বাংলাদেশ কয়েকবার মিয়ানমার সরকারকে ইয়াবা কারখানা বন্ধের আহবান জানিয়েছে৷ মিয়ানমার সরকার কারখানা বন্ধের আশ্বাস দিলেও এখনো বন্ধ হয়নি৷ অন্যদিকে, বাংলাদেশ বার বার অনুরোধ করার পরেও ভারত তার সীমান্তে অবস্থিত ফেনসিডিলের কারখানাগুলো বন্ধ করেনি৷ তাই ফেনসিডিল নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব হয়নি৷

দ্বিতীয়ত, কোনো দেশের  বৃহৎ জনগোষ্ঠী যদি মাদকাসক্ত হয়, তাহলে সেখানে মাদকের চাহিদা থাকবে৷ যেভাবেই হোক, মাদকসেবীরা মাদক পেতে চাইবে আর পাচারকারীরাও মাদক সরবরাহ করার চেষ্টা করবে৷ কিন্তু উৎপাদন ও চাহিদা বন্ধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ বাংলাদেশ নিতে পারেনি৷ তাছাড়া মাদকাসক্তদের  নিরাময় ও পুনর্বাসনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই, যেটি মাদক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অন্যতম অন্তরায় বলে সমাজবিদ ও মনস্তত্ববিদরা মনে করেন৷ তাঁদের মতে, শুধু বল প্রয়োগ করে নয়, মাদক নির্মূলের জন্য প্রয়োজন সামগ্রিক উদ্যোগ৷

তৃতীয়ত, মাদকাসক্তির কারণ খুজে বের করা জরুরি৷ মানুষ কেন মাদকাসক্ত হচ্ছে, এর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণগুলো কী কী এবং কী ধরনের পদক্ষেপ নিলে তাদের ফেরানো সম্ভব, তা গবেষণা করে বের করা দরকার৷ প্রয়োজন একটি মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং সবাইকে সেই আন্দোলনে সম্পৃক্ত করা৷ বাংলাদেশ এর কোনোটাই আগে হয়নি৷ আশার কথা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন৷ সরকার নিশ্চয়ই এক্ষেত্রে করণীয় বিষয়গুলোর প্রতি নজর দেবে৷ পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন্সের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে৷ সরকারের উচিত, একটি সঠিক তালিকা তৈরি করে নিরপেক্ষভাবে অভিযান শুরু করা, যে অভিযানে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা থাকবে এবং প্রকৃত মাদক চোরাচালানকারীরা রেহাই পাবে না৷ অন্যথায়, চলমান অভিযানে আরও মানুষ প্রাণ হারাবে, সরকার আরও সমালোচনার মুখোমুখি হবে৷

প্রতিবেদনটি নিয়ে আপনার কোনো বক্তব্য থাকলে লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন