মাক্রোঁর পরিকল্পনায় সমর্থন জানালেন ম্যার্কেল | বিশ্ব | DW | 13.11.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ইউরোপ

মাক্রোঁর পরিকল্পনায় সমর্থন জানালেন ম্যার্কেল

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ একসময় একটি ‘ইউরোপীয় সেনাবাহিনী' গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন৷ কিন্তু জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল এতদিন তাতে পুরো সমর্থন দেননি৷

তবে মঙ্গলবার ইউরোপীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মাক্রোঁর পরিকল্পনার প্রতি সমর্থন জানান৷ ‘‘একদিন একটি প্রকৃত ইউরোপীয় সেনাবাহিনী তৈরি করতে আমাদের কাজ করা উচিত,'' স্ট্রাসবুর্গে ইইউ সাংসদদের উদ্দেশ্যে বলেন তিনি৷ ম্যার্কেল বলেন, ‘‘একটি একক ইউরোপীয় সেনাবাহিনী বিশ্বকে দেখিয়ে দেবে যে, ভবিষ্যতে ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে আর কোনো যুদ্ধ হবে না৷'' এই সেনাবাহিনী ন্যাটোর বিকল্প হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন জার্মান চ্যান্সেলর৷ বরং ইউরোপীয় সেনাবাহিনী ন্যাটোর কাজে সহায়তা করবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি৷


উল্লেখ্য,মাক্রোঁর ইইউ সেনাবাহিনী গঠনের প্রস্তাব ন্যাটো জোটকে ম্লান করতে পারে বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরই এমন এক বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন এমানুয়েল মাক্রোঁ৷ ‘‘আমাদের এমন ইউরোপ দরকার যে, যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভর করা ছাড়া একাই নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম,'' সম্প্রতি বলেছিলেন তিনি৷

এর আগেও মাক্রোঁর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে একমত হয়েছিলেন ম্যার্কেল৷ যেমন গত জুন মাসে ইইউতে আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতে সংস্কার আনার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন এই দুই নেতা৷ এর মধ্যে দু'টি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, ২০২১ সাল থেকে ইউরোজোনের জন্য বাজেট এবং একক ব্যাংকিং নীতিমালা তৈরি৷ইউরোপীয় সংসদে দেয়া বক্তব্যে ম্যার্কেল ভবিষ্যৎ ইউরোপের রূপরেখা কেমন হওয়া উচিত সে সম্পর্কে কথা বলেন৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নে মৌলিক সংস্কার আনা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে৷ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁসহ প্রায় ১১ জন রাষ্ট্রপ্রধান গত কয়েকমাসে ইইউ সংসদে এই বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন৷

আঙ্গেলা ম্যার্কেল এমন এক সময়ে বক্তব্য রাখলেন যখন ব্রিটেন ইইউ থেকে বের হয়ে যাচ্ছে৷ এবং ইটালি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও অস্ট্রিয়াতে ইইউ বিরোধী শক্তি বিস্তার লাভ করছে৷

এছাড়া ম্যার্কেল নিজেও সম্প্রতি জানিয়েছেন তিনি তাঁর দল খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী পার্টি, সিডিইউ-র প্রধান হিসেবে আর নির্বাচন করবেন না৷ তবে চ্যান্সেলর হিসেবে মেয়াদ শেষ করতে চান তিনি৷

জেডএইচ/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন