মহামারি ছুটি নেয় না: ম্যার্কেল | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 02.04.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

মহামারি ছুটি নেয় না: ম্যার্কেল

জার্মানিতে সামনে ইস্টারের ছুটি আসছে৷ অন্য বছরগুলোতে এই সময় দুই সপ্তাহের স্কুল ছুটি থাকায় অনেকে ভ্রমণে বের হন৷ কিন্তু এবার সেটা করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷

‘‘মহামারি কোনো ছুটি নেয় না,’’ বুধবার বলেন তিনি৷ ম্যার্কেল বলেন, ইস্টারের ছুটির সময় মানুষ সাধারণত পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটায়, একদিন বা তার চেয়ে বেশি সময়ের জন্য কোথাও বেড়াতে যায়৷ কিন্তু ‘‘এ বছর সেটা অন্যরকম হতে হবে,’’ যোগ করেন তিনি৷

জার্মানিতে চলাফেরায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সময়সীমা ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন চ্যান্সেলর৷

বর্তমান সময়সীমা ৫ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু ম্যার্কেল বলেন, ‘‘চলাফেরায় সীমাবদ্ধতার বিষয়টি এখনই শিথিলের চিন্তা করা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে৷ এখন সেটা করলে পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে যাবে৷ আমাদের যা অর্জন করতে হবে তার চেয়ে এখনও অনেক দূরে আছি আমরা৷’’

জার্মানিতে বর্তমানে দুজনের বেশি একসঙ্গে বাইরে বের হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে৷ তবে পরিবারের সদস্য কিংবা একই ঘর বা অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দাদের জন্য এই সংখ্যা প্রযোজ্য নয়৷

এছাড়া জনসম্মুখে একে অপরের চেয়ে অন্তত দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে৷

গির্জার প্রার্থনাও এসব বাধানিষেধের আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছেন ম্যার্কেল

জার্মানির ১৬টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এসব সিদ্ধান্ত জানান চ্যান্সেলর ম্যার্কেল৷ ঐ আলোচনায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক না করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে৷

তবে নার্সিং হোম ও অক্ষম মানুষরা যেখানে থাকেন সেখানে মাস্কের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য় সরকারগুলো কাজ করছে বলে জানান ম্যার্কেল৷

জার্মানির প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রিয়ায় সুপারমার্কেটে যাওয়ার সময় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে৷

এছাড়া জার্মানির ইয়েনা শহর কর্তৃপক্ষ আগামী ৬ এপ্রিল থেকে প্রকাশ্যে ও সুপারমার্কেটে যাওয়ার সময় মাস্ক কিংবা মাস্ক হিসেবে শাল ও স্কার্ফ পরা বাধ্যতামূলক করেছে৷

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আগামী ১৪ এপ্রিল পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ম্যার্কেল৷

জার্মানির সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা রবার্ট কখ ইনস্টিটিউটের হিসেবে দেশটিতে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৫২২ জন৷ একদিনে সেই সংখ্যা বেড়েছে ছয় হাজার ১৫৬ জন৷

এছাড়া এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৮৭২ জন৷ আগের দিনের চেয়ে সংখ্যাটি ১৪০ জন বেশি৷

জেডএইচ/কেএম (ডিপিএ, এএফপি)

২০১৮ সালের ছবিঘর দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন