মহাকাশের ব্যাপ্তি ও ব্রিটিশ বিজ্ঞানীর উপলব্ধি | অন্বেষণ | DW | 26.04.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

মহাকাশের ব্যাপ্তি ও ব্রিটিশ বিজ্ঞানীর উপলব্ধি

ব্রিটেনের গবেষক প্যাট্রিশিয়া শ্যাডি৷ জার্মানির বাভেরিয়া রাজ্যে গার্শিং-এ মাক্স প্লাংক ইন্সটিটিউট-এ মহাকাশ পদার্থবিদ্যা নিয়ে কাজ করছেন৷

কাজের এমন পরিবেশে তিনি বেশ সন্তুষ্ট৷ মিউনিখ যে আল্পস পর্বতের এত কাছে, তা তিনি জানতেন না৷ ভোরে উঠে রওয়ানা দিলে সকাল দশটা-এগারোটার মধ্যেই পাহাড়ে পৌঁছে যাওয়া যায়৷

অবজারভেটারিতে যেতে প্যাট্রিশিয়ার দারুণ লাগে৷ সেখানে সব কিছু যেন ধরা-ছোঁয়ার মধ্যে৷ এমনিতে অফিসে বসে কম্পিউটারে বসেই পর্যবেক্ষণ চালানো হয়৷ কিন্তু সমস্যা হলেই গম্বুজে ঢুকে টেলিস্কোপে হাত দিতে হয়৷ কয়েকবার তাঁকেও এই কাজ করতে হয়েছে৷ এমন অবজারভেটরিতে কাজ করার একটা ভালো দিক হলো, যন্ত্রপাতির উপর আমাদের কিছুটা নিয়ন্ত্রণ থাকে৷

Flash-Galerie Supernova Explosionswolke

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ব্যাপ্তি দেখলে নিজেকে আরও ক্ষুদ্র মনে হয়

তাঁর কাজ হলো গামা রশ্মির বাজ পড়ার দিকে লক্ষ্য রাখা৷ দানবীয় বিস্ফোরণে বিশাল পরিমাণে শক্তি বেরিয়ে আসে৷ অল্প সময়ের জন্য সেই বিকিরণ এত উজ্জ্বল হয়, যে সারা আকাশ আলোয় ভরে যায়, বাকি সব ঢেকে যায়৷

বিজ্ঞানীদের ধারণা, বিশাল ভরের নক্ষত্র ভেঙে গেলে এমন বিস্ফোরণ ঘটে৷ তার আকার এত বেড়ে যায়, যে নিজের মাধ্যাকর্ষণের চাপেই তা শেষ পর্যন্ত ‘ব্ল্যাক হোল'-এ পরিণত হয়৷ এই নক্ষত্রগুলির করুণ মৃত্যু ঘটে৷ তখন তাদের বয়সও ছিল কম৷ বেশি ভর থাকলে নক্ষত্রের আয়ু কমে যায়৷ এমন মৃত্যু খুবই দুঃখের, বেশ নাটকীয়ও বটে৷ নিঃশব্দে সরে যাওয়ার প্রশ্ন নেই৷

বিজ্ঞানী হিসেবে প্যাট্রিশিয়া বিশ্বাস করেন না, মৃত্যুর পর কিছু আছে৷ তাঁর মনে হয়, ‘‘কিছু সময়ের জন্য এসেছি৷ চলে গেলে আর কিছুই থাকবে না৷ গামার বিদ্যুৎপাত বা মহাকাশ পদার্থবিদ্যা নিয়ে কাজ করে আমি এই শূন্যতার বিষয়টা ভালোই বুঝতে পারি৷ অস্তিত্বহীন অবস্থা, মৃত্যুর পর আর কোনো জীবন নেই, এটা বিশ্বাস করতে পারি৷''

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বয়স প্রায় ১,৪০০ কোটি বছর৷ বিজ্ঞানীরা যে গামা রশ্মির বিদ্যুৎপাত পরীক্ষা করেন, সেগুলিও কোটি কোটি বছর আগে ঘটেছে৷ ব্রহ্মাণ্ডের বয়সের তুলনায় অবশ্য সেই সময় খুবই কম৷ এই কাজের ফলে প্যাট্রিশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গিও বেশ বদলে গেছে৷ শুধু কাজের নিরিখেই তিনি সব কিছু দেখেন৷ তাঁর মতে, ‘‘সে কারণেই বোধ হয় আমি বেশি রোম্যান্টিক হতে পারি না৷''

এসবি/ডিজি

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন