মসজিদ হলো তুরস্কের আরেক জাদুঘর | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 22.08.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

তুরস্ক

মসজিদ হলো তুরস্কের আরেক জাদুঘর

আয়া সোফিয়ার পর এবার আরেকটি ঐতিহাসিক স্থাপনাকে মসজিদে রূপান্তর করল তুরস্কের সরকার৷ শুক্রবার প্রেসিডেন্ট রিচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ানের এই সিদ্ধান্ত সরকারের অফিসিয়াল গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছে৷

স্থাপনাটি খোরা বা কারিয়া হিসেবে পরিচিত৷ গেজেট অনুযায়ী রিচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ান সেটিকে মসজিদে পরিণত করার ঘোষণা দিয়ে তুরস্কের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন৷ শিগগিরই স্থাপনাটি মুসলিমদের প্রার্থনার জন্য খুলে দেয়ার কথা রয়েছে৷ তবে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ প্রকাশ করা হয়নি৷

আয়া সোফিয়ার মতই খোরা বা কারিয়া এতদিন জাদুঘর ছিল৷ চতুর্থ শতকে রোমান সম্রাট কনস্টান্টিন দ্যা গ্রেটের শাসনামলে চার্চ হিসেবে এটি গড়ে ওঠে৷ এগারো থেকে বারো শতকে স্থাপনাটি বর্তমান রূপ নেয়৷ হোলি সেভিয়র নামে পরিচিত চার্চটির গায়ে চৌদ্দ শতকে বাইবেলে বর্ণিত ‘শেষ বিচারের' দেয়ালচিত্র আঁকা হয়৷

ষোল শতকে এটিকে মসজিদে রূপান্তর করে অটোমানরা৷ এসময় খ্রিস্টানদের কাছে পবিত্র হিসেবে বিবেচিত দেয়ালচিত্রগুলোও মুছে দেয়া হয়৷ ১৯৪৫ সালে মসজিদটিকে জাদুঘরে পরিণত করার ঘোষণা দেয় তুরস্কের তৎকালীন সরকার৷ গত বছর আদালত এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেয়৷ তার প্রেক্ষিতে ৭৫ বছর পর এসে কারিয়াকে আবারো মসজিদে রূপান্তর করলেন এর্দোয়ান৷

চার্চটির গায়ে চৌদ্দ শতকে বাইবেলে বর্ণিত ‘শেষ বিচারের’ দেয়ালচিত্র আঁকা হয়৷

চার্চটির গায়ে চৌদ্দ শতকে বাইবেলে বর্ণিত ‘শেষ বিচারের’ দেয়ালচিত্র আঁকা হয়৷

এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে গ্রিস৷ একে উসকানি হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ তবে সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে শুক্রবার স্থাপনাটির সামনে ইস্তানবুলের অনেক বাসিন্দা জড়ো হয়েছেন বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম আন্দালু এজেন্সি৷ অনেকে সেখানে নামাজ পড়ার জন্যেও এসেছিলেন৷ ‘‘সিদ্ধান্ত জানার পর আমরা নামাজ পড়তে এসেছিলাম৷ কিন্তু আমাদের বলা হয়েছে এটি এখনও নামাজের জন্য খোলা হয়নি৷ আমরা (মসজিদ) খুলে দেয়ার অপেক্ষায় আছি,'' বলেন কিউমা এর নামের একজন৷

এর আগে গত মাসে বিখ্যাত আয়া সোফিয়া জাদুঘরকে মসজিদে রূপান্তরের ঘোষণা দেয়া হয়৷ চার্চ হিসেবে গড়ে ওঠা স্থাপনাটিতে ৮৬ বছর পর আবারো নামাজ আদায় করছেন মুসলিমরা৷

এফএস/এডিকে (রয়টার্স, এপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন