মসজিদে হামলায় অভিযুক্তের হাসিতে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা | বিশ্ব | DW | 14.06.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

নিউজিল্যান্ড

মসজিদে হামলায় অভিযুক্তের হাসিতে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা

ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে হামলার অভিযোগে আটক ব্রেন্টন টেরান্ট শুক্রবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন৷ শুনানির সময় তাকে কয়েকবার আত্মতৃপ্তির হাসি দিতে দেখা গেছে৷ এতে ক্ষুব্ধ হয়েছেন হতাহতদের স্বজনেরা৷

অকল্যান্ডের উচ্চ নিরাপত্তাবিশিষ্ট কারাগারে আটক ২৮ বছর বয়সি টেরান্ট ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ক্রাইস্টচার্চের হাইকোর্টে অনুষ্ঠিত শুনানিতে অংশ নেন৷

১৫ মার্চ শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় ক্রাইস্টচার্চের আল নূর ও লিনউড মসজিদে হামলায় ৫১ জন প্রাণ হারান৷ শুনানির সময় আহত কয়েকজন ব্যক্তি ও নিহতদের আত্মীয়স্বজন উপস্থিত ছিলেন৷ তাঁরা টেরান্টের হাসি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন৷

জানা এজাত নামের এক নারী হামলায় নিহত তাঁর ছেলের ছবি সম্বলিত শার্ট পরে শুনানিতে হাজির হয়েছিলেন৷ শুনানি শেষে তিনি বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, ‘‘আগে আমি ঠিক ও শান্ত ছিলাম৷ কিন্তু যখন ঐ সন্ত্রাসীকে দেখলাম, সে এমন ভাব দেখাচ্ছিল, যেন সে নিষ্পাপ৷ এবং সে হাসছিল৷''

মসজিদে হামলায় আহত হয়েছিলেন মুস্তফা বোজতাস৷ সন্দেহভাজন হামলাকারীর হাসি তাঁকেও রাগান্বিত করেছে৷ এএফপিকে তিনি বলেন, ‘‘এটা একটা বিষয় প্রমাণ করে যে, সে একটা পশু৷''

লিনউড মসজিদে বন্দুকধারী টেরান্টকে ধাওয়া করে নায়কে পরিণত হয়েছেন আব্দুল আজিজ৷ শুনানি শেষে তিনি বলেন, ‘‘সে (আদালতে) হাসছিল৷ সে মনে করে যে, সে একজন শক্ত মানুষ৷ কিন্তু যখন সে আমার মুখোমুখি হয়েছিল তখন সে কাপুরুষের মতো পালিয়ে গিয়েছিল৷ সে ওখানে দাঁড়িয়ে থাকার মতো পুরুষ ছিল না, কিন্তু এখন সে ওখানে (কারাগারে) দাঁড়িয়ে আছে, আর হাসছে৷''

বিচারক ক্যামেরন ম্যান্ডার শুনানির সময় ক্যামেরা নিয়ে ঢোকার অনুমতি দেননি৷

এদিকে, আগামী বছরের ৪ মে টেরান্টের বিচার শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি৷ চলবে অন্তত দেড় মাস৷

এতদিন পর বিচার শুরু হবে জেনে হতাশা প্রকাশ করেছেন দিদার হোসেন৷ হামলায় তাঁর চাচা ও বন্ধুরা প্রাণ হারিয়েছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘এটা (বিচার) ছয় মাসের মধ্যে শেষ হওয়া উচিত৷ এবং সেটা হলে আমাদের জন্য ভালো হয়৷ আমরা খুশি নই৷''

জেডএইচ/কেএম (এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন