মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে | বিশ্ব | DW | 22.11.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে

আটদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে মনে কোনো ভয় না নিয়েই ঘুম থেকে উঠেছেন গাজা আর ইসরায়েলের বাসিন্দারা৷ কারণ বুধবার রাতে যুদ্ধবিরতির খবর শুনেই তারা বিছানায় গিয়েছিলেন৷

অনেক প্রচেষ্টার পর হামাস ও ইসরায়েলি প্রশাসনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে৷ মিশর এতে মধ্যস্থতা করেছে৷ মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ কামেল আমর ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন, যা কার্যকর হয় বুধবার স্থানীয় সময় রাত নয়টা থেকে৷

Gaza Konflikt Waffenruhe Benjamin Netanyahu

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওযার পর গাজার বাসিন্দাদের উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে৷ তবে ইসরায়েলের কিছু কিছু নাগরিককে হতাশ হতে দেখা গেছে৷ চুক্তি অনুযায়ী, দুপক্ষই হামলা থেকে নিজেদের বিরত রাখবে৷ আর ইসরায়েল ২০০৬ সাল থেকে গাজায় যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে তা কিছুটা সহজ করবে কিনা, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাতে৷

এদিকে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজা থেকে ইসরায়েলের দিকে লক্ষ্য করে কয়েকটি রকেট ছোঁড়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি পুলিশের মুখপাত্র৷ আর গাজায়ও একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে৷ তবে কীভাবে সেটা হয়েছে তা জানা যায়নি৷

হামাস নেতা খালেদ মেশাল বলেছেন, ইসরায়েল যদি যুদ্ধবিরতি মানে তাহলে তারাও সেটা মেনে চলবে৷ আর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে তিনি পরিস্থিতিকে শান্ত হওয়ার সুযোগ দিতে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছেন৷

জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন৷

এদিকে মিশরের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি ডি-৮ সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তানে যান নি৷ এর পরিবর্তে তিনি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হচ্ছে কিনা, সে দিকে নজর রাখবেন বলে জানা গেছে৷

জেডএইচ / এসবি (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন