মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সৈন্য বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র | বিশ্ব | DW | 23.05.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সৈন্য বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সৈন্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ এর মধ্যেও নিজেদের জেদ দেখিয়ে চলেছে ইরান৷

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি বলছে, নতুন করে ১০ হাজার সৈন্য মোতায়েনের চাহিদা দেখাচ্ছে পেন্টাগন৷ তবে রয়টার্স বলছে, এই সংখ্যা পাঁচ হাজার৷

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের জন্য ‘বিশ্বাসযোগ্য হুমকি’ বিরাজ করছে বলে আলোচনা হয় ওয়াশিংটনের এক বৈঠকে৷ ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে সৈন্য বাড়ানোর কথা বলেন কর্মকর্তারা৷

বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সৈন্য মোতায়েনের ওই পরিকল্পনা পেশ করতে পারে৷ তবে সৈন্য মোতায়েনের বিস্তারিত এখন পর্যন্ত জানা যায়নি৷

মার্কিন কর্মকর্তারা এটুকু বলেছেন, অতিরিক্ত ‘প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি’ এবং যুদ্ধজাহাজ থাকছে নতুন সৈন্যবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনায়৷

এর আগে রোববার এক টুইটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি যুদ্ধ করতে চায়, তাহলে সেটা হবে দেশটির ‘আনু্ষ্ঠানিক শেষযাত্রা’

উত্তেজনার বাড়ার মাধ্যমেও নিজেদের স্পর্ধার প্রকাশ ঘটিয়েছে ইরান৷ দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার বলেছেন, ইরানে আক্রমণের সাহস অ্যামেরিকা দেখাবে না৷

‘‘পাপী অ্যামেরিকা এবং তাদের পশ্চিমা ও আঞ্চলিক সহযোগীরা কখনোই সম্মুখসমরে ইরানে আক্রমণ চালানোর সাহস করবে না৷ কারণ, আমাদের জনগণ ও তরুণদের মধ্যে আছে প্রতিরোধ আর আত্মত্যাগের উদ্দীপনা,’’ ইরানের মেজর জেনারেল গোলামালি রাশিদকে উদ্ধৃত করে লিখেছে দেশটির বার্তা সংস্থা ফার্স৷

এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ইরানি যুবকরা জীবদ্দশাতেই ইসরায়েলি ও অ্যামেরিকান সভ্যতার পতন দেখে যাবে৷

‘‘তোমরা তরুণরা নিশ্চিত থাকো, মানবতার শত্রু, অর্থাৎ অধঃপতিত অ্যামেরিকান সভ্যতা এবং ইসরায়েলের পতন তোমরা দেখে যাবে,'' বুধবার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য এক বক্তৃতায় বলেন তিনি৷

গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ইরানের সঙ্গে হওয়া পরমাণু চুক্তি থেকে ট্রাম্প প্রশাসন সরে আসার পর থেকে উত্তেজনা চলছে দুই দেশের মধ্যে৷ ওয়াশিংটন ও তেহরান প্রকাশ্যে যুদ্ধ না চাইলেও উত্তেজনা বেড়েই চলেছে

সর্বশেষ গত সপ্তাহে সৌদি আরবে দুটি পেট্রোলিয়াম স্থাপনার উপর ড্রোন হামলার পর রবিবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদের সুরক্ষিত ‘গ্রিন জোন'-এ মার্কিন দূতাবাসের কাছে এক রকেট হামলা হয়েছে৷ দুটি ঘটনার জন্যই ইরানকে সন্দেহ করা হলেও বিষয়টি অস্পষ্ট রয়ে গেছে৷ মার্কিন সৈন্য বা স্থাপনার উপর ইরান বা ইরান-সমর্থিত কোনো গোষ্ঠী হামলা চালালে তার উচিত জবাব দেওয়া হবে বলে অ্যামেরিকা সতর্ক করে দিয়েছে৷

এমবি/এসিবি (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন