মতভেদের কারণে ঝুলে গেল কড়া ধর্ষণ-বিরোধী বিল | বিশ্ব | DW | 07.03.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

মতভেদের কারণে ঝুলে গেল কড়া ধর্ষণ-বিরোধী বিল

দিল্লি গণধর্ষণের পর ধর্ষণের বিরুদ্ধে কড়া আইন প্রণয়নে যে বিলটি সংসদে আনার কথা, সেই বিলের কিছু খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়ায় তা মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পেশ করা যায়নি৷

যৌন অপরাধের বিরুদ্ধে কড়া আইন আনতে ফৌজদারি আইন সংশোধনী বিল আনতে বিলম্বের কারণ ঐকমত্যের অভাব৷ মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের মোকাবিলায় ধর্ষণ-বিরোধী কড়া আইন আনার সরকারি প্রতিশ্রুতি তাই ঝুলে রইলো৷ এই সংক্রান্ত বিলটি নিয়ে আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পেশ করার কথা ছিল, কিন্তু পেশ করা হয়নি৷ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশোধনী প্রস্তাবে আইন মন্ত্রণালয় বেঁকে বসে৷

আপাত বিতর্ক বিলের কয়েকটি শব্দবন্ধ নিয়ে৷ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক যেখানে ধর্ষণ কথাটি রাখতে চেয়েছে, আইন মন্ত্রক তার জায়গায় যৌন নিগ্রহ শব্দটি ব্যবহারের পক্ষপাতী৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনিশ তেওয়ারি বলেন, আসলে আমরা অর্ডিন্যান্স এনে দেখাতে চেয়েছি মহিলাদের নিরাপত্তায় আমরা কৃতসংকল্প৷ মন্ত্রিসভায় কেন বিলটি অনুমোদনের জন্য তোলা হলো না, তা বলতে পারবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়৷

Protest Banner Schild Stoppt Gewalt an Frauen Indien

সম্প্রতি ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখা গেছে ভারতে

জাতীয় মহিলা কমিশনের দাবি প্রস্তাবিত অ্যান্টি-রেপ আইনে যৌন নিগ্রহের সঙ্গে ধর্ষণ কথাটিও যুক্ত রাখতে হবে যাতে আইনটি লিঙ্গ-নিরপেক্ষ হয়৷ প্রস্তাবিত বিলে সম্মতি-সূচক যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮ থেকে কমিয়ে ১৬ বছর করার বিষয়েও ঐকমত্য হয়নি৷ সামাজিক সংগঠনগুলির একাংশ মনে করে, সম্মতিসূচক যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ন্যূনতম বয়স থাকা উচিত ১৮ বছর৷ তবে জুভেনাইল জাস্টিসের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ১৮ বছর থেকে কমিয়ে ১৬ বছর করা যেতে পারে৷

বিলে অন্যান্য সংস্থানগুলির মধ্যে আছে ধর্ষিতাকে চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের পরিবর্তে নিকটবর্তী বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে৷ কর্তৃপক্ষের স্তরে কেউ যদি যৌন অপরাধে দোষী হয়, তাহলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড৷ কর্তৃপক্ষ বলতে ধরা হবে পুলিশ, ডাক্তার, হাসপাতাল কর্মী, কারা অফিসার প্রমুখ৷ বিচারপতি ভার্মা কমিটির সুপারিশ সত্ত্বেও বিলের সংশোধনীতে উপদ্রুত এলাকায় যেখানে সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন আছে, সেখানে এবং বিবাহিত দম্পতির ক্ষেত্রে ধর্ষণের অপরাধ এই আইনের বাইরে রাখা হয়েছে৷

ধর্ষণ-বিরোধী খসড়া বিল সম্পর্কে অভিভাবক এবং তরুণীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া৷ তাঁরাও চান যৌন নিগ্রহের পরিবর্তে ধর্ষণ শব্দবন্ধটি রাখতে৷ উল্লেখ্য, গত বছর ১৬ই ডিসেম্বর দিল্লির একটি চলন্ত বাসে ২৩ বছরের এক মেডিক্যাল ছাত্রীর গণধর্ষণের ঘটনা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল৷ ধর্ষিতা পরে সিঙ্গাপুরে এক হাসপাতালে মারা যায়৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন