মণ্ডপে কোরআন রাখার অভিযোগে ইকবাল গ্রেপ্তার | বিশ্ব | DW | 22.10.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

মণ্ডপে কোরআন রাখার অভিযোগে ইকবাল গ্রেপ্তার

কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে কোরআন রাখার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজারের সৈকত এলাকা থেকে ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ এরপর তাকে শুক্রবার কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷

ইকবালকে বৃহস্পতিবার রাতে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ঘোরাঘুরির সময় গ্রেপ্তার করা হয় বলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম (ক্রাইম অ্যান্ড অ্যাডমিন) ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন৷

পেশায় রঙমিস্ত্রি ৩৫ বছর বয়সি ইকবালের বাড়ি কুমিল্লা শহরে সুজানগরের খানকা মাজার এলাকার নূর মোহাম্মদ আলমের ছেলে৷ গত ১৩ অক্টোবর নানুয়া দীঘির পূজামণ্ডপে  কোরআন রাখা দেখে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ানোর পর অন্তত আটটি মন্দিরে হামলা, ভাংচুর চালানো হয়৷ সেদিনই চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মন্দিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় পাঁচজন৷ পরের নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ কয়েকটি জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা হয় এবং নোয়াখালীতে দুজন নিহত হয়৷

নানুয়া দীঘির পাড়ের দুটি সিসি ক্যামেরার ভিডিও বিশ্লেষণ করে কুমিল্লার পুলিশ বুধবার ইকবাল নামের যুবককে শনাক্তের কথা জানায়৷একটি সিসি ক্যামেরার ভিডিওতে বই জাতীয় কিছু হাতে নিয়ে এক যুবককে রাত ২টার পর স্থানীয় দারোগাবাড়ি শাহ আব্দুল্লাহ গাজীপুরী (রহ.) এর মাজার থেকে বেরিয়ে পূজা মণ্ডপের দিকে যেতে দেখা যায়৷

৩টা ১২ মিনিটের দিকে আরেক ভিডিওতে আবার তাকে পূজামণ্ডপের দিক থেকে ফিরে আসতে দেখা যায়, তখন তার হাতে ছিল একটি ‘গদা'৷

পুলিশ কর্মকর্তারা ইকবালকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার আশা করলেও তা নিয়ে সংশয়ে আছেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত৷

নূরের দলের তিন নেতা গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজা মণ্ডপে হামলার ঘটনায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের নেতৃত্বাধীন যুব অধিকার পরিষদের তিন নেতাসহ দশজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের সাতকনিয়া ও নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়৷

এ বিষয়ে যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক নুরুল হক নূরের বক্তব্য জানা যায়নি৷

এনএস/জেডএইচ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন