মডেলে ত্রুটির কারণে দুটি বিমান ধ্বংস হয়েছে? | বিশ্ব | DW | 18.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

মডেলে ত্রুটির কারণে দুটি বিমান ধ্বংস হয়েছে?

ইন্দোনেশিয়া ও ইথিওপিয়ায় দুটি বিমান ধ্বংসের ক্ষেত্রে তদন্তকারীরা অনেক মিল খুঁজে পেয়েছেন বলে ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ দাবি করছে৷ বোয়িং কোম্পানির নির্দিষ্ট মডেলটির মধ্যে নানা ত্রুটির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে৷

মাত্র ৬ মাসের মধ্যে হুবহু একই মডেলের দুটি বিমান ধ্বংসের ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে একের পর এক দেশ একে একে সেই মডেলের উড়াল বন্ধ করে দেয়৷ প্রথমে ইন্দোনেশিয়া, তারপর ইথিওপিয়ায় বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স এইটএস মডলের বিমান ধ্বংসের দুটি ঘটনার মধ্যে অস্বাভাবিক মিল পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে৷ ফ্রান্সে   ইথিওপিয়ার বিমানটির  ব্ল্যাক বক্স বিশ্লেষণের কাজের শুরুতেই বিশেষজ্ঞরা এই তথ্য জানতে পেরেছেন৷ ইথিওপিয়ার কর্তৃপক্ষ এই খবর জানিয়েছে৷ আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে আরো তথ্য পাবার আশা করছে কর্তৃপক্ষ৷ উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, ৩০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে৷

বেসামরিক বিমান চলাচলের ইতিহাসে কোনো একটি বিমানের মডেলকে ঘিরে এই মাত্রার অনিশ্চয়তা এর আগে কখনো দেখা যায়নি৷ গত বছরের অক্টোবর মাসে ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ার সংস্থার একটি বিমান রওয়ানা হবার কিছুক্ষণ পরেই ধ্বংস হয়ে যায়৷ ফলে ১৮৯ জন নিহত হন৷ এরপর ১০ই মার্চ ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানও প্রায় একই রকমভাবে ধ্বংস হলে ১৫৭ জন যাত্রী ও বিমানকর্মীর মৃত্যু হয়৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ব্ল্যাক বক্স থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণের কাজ চলছে৷ তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসেনি৷ তবে বোয়িং কোম্পানির এই মডেলের মধ্যে বেশ কিছু মারাত্মক ত্রুটি পাওয়া গেছে বলে দাবি করছে সিয়াটেল টাইমস সংবাদপত্র৷ ফেডারেল বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ অবশ্য বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি৷ তবে ওয়াশিংটনের এক আদালতের গ্র্যান্ড জুরি এই বিমান তৈরির সঙ্গে যুক্ত কমপক্ষে এক জন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিয়েছে৷

বোয়িং কোম্পানি এই মডেলের বিমানগুলিতে সফটওয়্যার আপগ্রেড এবং বিমানচালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চেয়েছে৷ কিন্তু মার্কিন কর্তৃপক্ষ বিমানের ডিজাইনে পরিবর্তনের নির্দেশ দেবে বলে ইঙ্গিত করেছে৷

ফ্রান্সের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত এজেন্সি বিইএ জানিয়েছে, ইথিওপিয়ার বিমানের ককপিট ভয়েস রেকর্ডার থেকে তথ্য ডাউনলোডের কাজ শেষ হয়েছে৷ তবে সেই অডিও ফাইল এখনো শোনা হয়নি৷ ইউরোপীয় তদন্তকারীদের হাতে তা তুলে দেওয়া হয়েছে৷

অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এয়ারবাস ও বোয়িং কোম্পানির মধ্যে রেষারেষি এই সংকটের জন্য দায়ী৷ এয়ারবাস কোম্পানির হালকা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী এ৩২০ নিও মডেলের বিকল্প গড়ে তুলতে বোয়িং তড়িঘড়ি করে প্রচলিত বোয়িং ৭৩৭ মডেলটিতে রদবদল ঘটিয়ে ম্যাক্স মডেল গড়ে তুলেছিল৷ কিন্তু ইঞ্জিন, ডিজাইন ও অন্যান্য কিছু ক্ষেত্রে ত্রুটি সংশোধন করা সম্ভব হয়নি বলে মনে করা হচ্ছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন