মঙ্গলগ্রহে তাহলে কি প্রাণ নেই? | বিজ্ঞান পরিবেশ | DW | 23.09.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

মঙ্গলগ্রহে তাহলে কি প্রাণ নেই?

পৃথিবীর কাছেপিঠে একমাত্র মঙ্গলগ্রহেই প্রাণের সম্ভাবনা রয়েছে – এমন আশা নিয়ে বসে আছেন বিজ্ঞানী থেকে অনেক সাধারণ মানুষ৷ কিন্তু ‘কিউরিয়সিটি’ এখন জানাচ্ছে, সেই সম্ভাবনা নেই বললেই চলে৷

২০১২ সালের আগস্ট মাসে নাসার মার্স রোভার মঙ্গলগ্রহে নেমেছিল৷ পৃথিবীর সঙ্গে সেই গ্রহের মিল কতটা, সেটা পরীক্ষা করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য৷ শুধু আজ নয়, অতীতেও কোনো মিল ছিল কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজাও জরুরি৷ কারণ এর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে প্রাণের সম্ভাবনার চাবিকাঠি৷

গত দশকে পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপের মাধ্যমে ও মঙ্গলগ্রহে যান পাঠিয়ে সেখানকার বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীদের ধারণা হয়েছিল, যে সেখানে মিথেন গ্যাস রয়েছে৷ ফলে অনুমান করা হয়েছিল, মঙ্গলগ্রহে হয় কোনো জৈবিক অথবা ভূ-তাত্ত্বিক কার্যকলাপ চলছে৷ দিনের বেলায় সূর্যের আলোয় এই গ্যাস ভেঙে যায়৷

NASA Marsmission Rover Curiosity

মঙ্গলে কাজ করছে ‘কিউরিয়সিটি'

কিন্তু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৩০০ বছর ধরে থেকে যায় এই গ্যাস৷ মঙ্গলগ্রহের ক্ষেত্রে সেই মেয়াদ ২০০ বছর বলে ধরা হয়েছিলো৷ ২০০৩ সালের মার্চ মাসে মঙ্গলগ্রহে একটি মেঘের মধ্যেই ১৯,০০০ টন মিথেনের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল৷

গত প্রায় ৮ মাস ধরে ‘কিউরিয়সিটি' মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডল পরীক্ষা করে দেখেছে, যে কয়েক বছরের মধ্যেই মিথেন উধাও হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে৷ ফলে দেখা যাচ্ছে, বিজ্ঞানীরা এর আগে মঙ্গলগ্রহের বায়ুমণ্ডলে ৬ গুণ বেশি মিথেন আশা করেছিলেন৷

এখন প্রশ্ন হলো, ‘কিউরিয়সিটি'-র পরিমাপই কি নিখুঁত? নাকি ভুলের অবকাশ রয়েছে? বিজ্ঞানীদের ধারণা, কোনো গ্রহের ভূ-পৃষ্ঠ থেকে মিথেন দ্রুত গোটা বায়ুমণ্ডলেই ছড়িয়ে পড়ার কথা৷ অতএব স্থানভেদে পরিমাপে পার্থক্য থাকা উচিত নয়৷ নাসার বিজ্ঞানী ক্রিস্টোফর ওয়েবস্টার মনে করেন, ‘কিউরিয়সিটি' যেখানে অবতরণ করেছে, সেখান থেকে পরিমাপ নিলে তাতে ভুলের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়া যায় না বটে, কিন্তু তার সম্ভাবনা কম৷

তবে আশা পুরোপুরি ছেড়ে দিচ্ছেন না বিজ্ঞানীরা৷ ‘কিউরিয়সিটি' তার কাজ চালিয়ে যাবে৷ আরও নমুনা সংগ্রহ করবে৷ পৃথিবী থেকেও আরও টেলিস্কোপের মাধ্যমে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে৷

এসবি/ডিজি (রয়টার্স,এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন