ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে ডয়চে ভেলে আর অ্যামনেস্টির লড়াই ঘোষণা | বিশ্ব | DW | 24.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে ডয়চে ভেলে আর অ্যামনেস্টির লড়াই ঘোষণা

ভুয়া সংবাদ সনাক্ত ও বিতর্কিত কন্টেন্ট যাচাইয়ের প্লাটফর্ম ‘ট্রুলি মিডিয়া’র প্রথম ক্লায়েন্ট বা খদ্দের হয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল৷ প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছে ডয়চে ভেলে৷

জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলে এবং গ্রিসের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এথেন্স টেকনোলজি সেন্টার তৈরি করেছে সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট যাচাইয়ের প্রতিষ্ঠান ‘ট্রুলিডটমিডিয়া৷' অনলাইনভিত্তিক এই প্ল্যাটফর্মটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে সাংবাদিক বা মানবাধিকারকর্মীরা এটি ব্যবহার করে একক বা দলগতভাবে ভিডিও, ছবি বা অন্যান্য কন্টেন্ট দ্রুত যাচাই করতে পারেন৷

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ক্রাইসিস রেসপন্স ডিরেক্টর তিরানা হাসান এই বিষয়ে বলেন, ‘‘যখন অস্বস্তিকর সত্য প্রকাশ হওয়ার পর সরকারি কর্মকর্তারা সেটিকে ‘ভুয়া খবর' বলে শোরগোল তোলে কিংবা যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত কন্টেন্ট এমন কিছু দেখায় যা আসলে ঠিক নয়, তখন কঠোর, গাণিতিক গবেষণা এবং যাচাই বাছাইয়ের নানা উপায় ব্যবহারের মাধ্যমে অ্যমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাড়া দেয়ার প্রয়োজন পড়ে৷''

ট্রুলি মিডিয়া অ্যামনেস্টির যাচাইবাছাইয়ের প্রক্রিয়াকে আরো সমৃদ্ধ করবে বলে মনে করেন তিরানা হাসান৷ সংগঠনটি গত কয়েকবছর ধরেই অনলাইন কন্টেন্ট যাচাইয়ের বেশ কয়েকটি উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে৷ এবার তাতে যুক্ত হলো ডয়চে ভেলে৷

জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচারকেন্দ্রটির মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ এই বিষয়ে বলেন, ‘‘ট্রুলি মিডিয়া ব্যবহার করে আমরা ডিজিটাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভুয়া খবর আরো কার্যকর এবং নির্ভুলভাবে সনাক্তে সক্ষম হবো৷ এই প্রকল্প এ খাতে ডয়চে ভেলের উদ্ভাবনের সক্ষমতারও ইঙ্গিত দিচ্ছে৷ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এটি ব্যবহার করবে জেনে আমরা গর্বিত৷ এতে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, ট্রুলি মিডিয়ার আসলেই চাহিদা রয়েছে৷''

উল্লেখ্য, চলতি মাসে বাণিজ্যিকভাবে চালু হয় ট্রুলি মিডিয়া৷ এর আগে, গত কয়েকমাস ধরে ডয়চে ভেলের অভ্যন্তরে সাংবাদিকরা সেটা ব্যবহার করেছেন৷ প্ল্যাটফর্মটি তৈরিতে গুগল এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নও অবদান রেখেছে৷

এআই/এসিবি (অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক