‘ভিডিওটা দেখে চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করেছে’ | পাঠক ভাবনা | DW | 05.10.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাঠক ভাবনা

‘ভিডিওটা দেখে চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করেছে’

নোয়াখালীর জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনার খবর পড়ে এক পাঠক লিখেছেন, ‘‘দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি৷’’ তবে এরকম অনেক ঘটনা আড়ালে থেকে যায় বলেও মনে করেন কেউ কেউ৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনা সম্পর্কে পাঠক খন্দকার নাসিমা নওশাদ ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, ‘‘শুধু নোয়াখালী নয়, পুরো দেশই এখন সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য৷’’ তিনি আরো লিখেছেন, ‘‘যতবার ভিডিওটা দেখেছি, ততবারই চিৎকার দিয়ে কাঁদতে ইচ্ছে করেছে৷ আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছি৷’’

পাঠক সাগর সরদার লিখেছেন, ‘‘এই সামাজিক অবক্ষয়ের শেষ কোথায়? দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি৷ আর যদি সম্ভব হয় এই অমানুষগুলোকে প্রকাশ্যে ক্রসফায়ার দেওয়া হোক৷’’

পাঠক জাহাঙ্গীর আলমের মন্তব্য, ‘‘এরকম দু-একটা ঘটনা হয়তো মিডিয়াতে প্রকাশ পাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবতা আরো ভয়াবহ৷’’

শাহাব হাওলাদার মনে করেন, ‘‘প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসীরা এ ধরনের অপরাধের রাজত্ব কায়েম করছে৷’’ প্রায় একই ধারণা পাঠক সাইফুল ইসলাম সাইফের৷ তবে বেগমগঞ্জের ঘটনায় কেউ পুলিশ অভিযোগ করেনি, ভিডিও প্রকাশের পর পুলিশ তৎপর হয়েছে বলে সাইফের প্রশ্ন, ‘‘অভিযোগ কেন করবে, কার কাছে করবে? অপরাধকারী সবাই নিজেরা নিজেরাই, কার বিচার কে করবে?’’

তবে সুমন লিখেছেন, ‘‘ভিকটিম যদি অভিযোগ না করে তাহলে পুলিশ কিভাবে জানবে? ভিকটিম না বলতে পারলেও মেম্বার-চেয়ারম্যান কিংবা সচেতন কাউকে তো থানায় বিষয়টি জানাতে হবে৷’’

সাদ্দাম হোসেন আকন্দ বলছেন, ‘‘ধন্যবাদ তো নির্যাতনকারীদের প্রাপ্য, তারাই তো ভিডিও প্রকাশ করে নিজেদের দোষ স্বীকার করেছে৷’’

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

গতবছরের ৩০ আগস্টের ছবিঘরটি দেখুন...