ভালো খাবারের ব্যবস্থা থাকায় ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা: মোমেন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 18.05.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

ভালো খাবারের ব্যবস্থা থাকায় ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে রোহিঙ্গারা: মোমেন

কক্সবাজার শরণার্থী শিবিরে ‘ভালো খাবারের' আশায় ভারতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে না ফিরে বাংলাদেশে চলে আসছে জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন৷

কক্সবাজার শরণার্থী শিবিরে ‘ভালো খাবারের' আশায় ভারতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে না ফিরে বাংলাদেশে চলে আসছে জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন৷

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন

ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন অনুসারে, মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘সম্প্রতি ভারত থেকে দুর্ভাগ্যবশত অনেক রোহিঙ্গা আসতেছে। এই রোহিঙ্গারা ২০১২ সালে প্রায় ৯ বছর আগে ওখানে গিয়েছিল। বিভিন্ন প্রদেশে ছিল। এখন তারা শুনেছে যে বাংলাদেশে আসলে তারা খাওয়াদাওয়া খুব ভালো পাবে। জাতিসংঘ ওদের খুব ভালো খাবার দেয়। কক্সবাজার যারা আছে, তারা খুব সুখে আছে। এদের আত্মীয়স্বজন ওদেরকে খবর দিয়েছে। তার ফলে তারা দলে দলে আসতেছে।’’

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিপীড়নের শিকার মুসলিম রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৪০ হাজারের মতো বিভিন্ন সময় ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ হাজার জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার নিবন্ধিত।

সীমান্তে যেখানে কাঁটাতারের বেড়া আছে এবং ফটক আছে, সে পথ দিয়েও রোহিঙ্গারা ‘ম্যানেজ’ করে বাংলাদেশে চলে আসছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘‘আমাদের প্রায় চার হাজার ২০০ কিলোমিটারের সীমান্ত। দুঃসংবাদ হচ্ছে, ফেন্স আছে, গেট আছে, সেখান দিয়েও তারা ম্যানেজ করতেছে দালাল ধরে। যেখানে প্রটেকশন সেখান দিয়ে আসছে। এটা দুশ্চিন্তার কারণ।’’

সম্প্রতি ভারত থেকে আসা এমন ১৮ জনকে আটকের কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে, ভারত থেকে আসা রোহিঙ্গাদের মোট সংখ্যা কত তা জানাতে পারেননি এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা কিছু আটকও করেছি। ওরা বলে যে, তোমরা কক্সবাজারে খুব ভালো খাওয়াদাওয়া দিচ্ছ, আমরা ভারতে অতো বছর ধরে আছি, কষ্টে আছি। তোমাদের দেশে চলে আসছি। ওদের মিয়ানমারে যাওয়া উচিত। কিন্তু তারা মিয়ানমারে যায় না, আমাদের এখানে আসে।’’

রোহিঙ্গাদের ঠেকাতে নিরাপত্তা বাহিনীকে বেশি করে কাজে লাগানো দরকার বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ভারত সরকারকে এ বিষয়ে জানানো হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘আমরা ভারতকে বলব যে, এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।’’

এএস/ কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কম)

ভারতে রোহিঙ্গা নারীদের করুণ জীবন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়