ভার্জিনিটি টেস্ট নয়: পাক আদালত | বিশ্ব | DW | 05.01.2021

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান

ভার্জিনিটি টেস্ট নয়: পাক আদালত

ভার্জিনিটি পরীক্ষায় টু ফিঙ্গার টেস্টের বিরুদ্ধে রায় দিল পাকিস্তানের একটি আদালত।

নারী অধিকার আন্দোলনের জয়। সোমবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রভিন্সের এক আদালত ভার্জিনিটি টেস্ট বন্ধের রায় দিয়েছে। এই প্রথম পাকিস্তানের কোনো আদালত এমন যুগান্তকারী রায় দিল। মানবাধিকার কর্মীদের আশা দ্রুত গোটা দেশেই এই আইন বলবৎ হবে।

সম্প্রতি পাকিস্তানেধর্ষণ আইনে বিপুল বদল আনা হয়েছে। ধর্ষকদের কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু ভার্জিনিট টেস্ট বা টু ফিঙ্গার টেস্ট নিয়ে এত দিন পর্যন্ত কেউ কোনো কথা বলেননি। বস্তুত, টু ফিঙ্গার টেস্ট এক বহু পুরনো প্রচলিত পরীক্ষা। যেখানে মেডিক্যাল অফিসার রেপের পর নারীর যৌনাঙ্গে দুইটি আঙুল ঢুকিয়ে ভার্জিনিটির পরীক্ষা করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বহু দিন আগেই জানিয়েছে, এই পরীক্ষার কোনো অর্থ নেই। এই পরীক্ষা থেকে রেপ সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানাও যায় না। বরং এই টেস্টের মাধ্যমে নারীকে অপমানই করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বহু দিন আগে এ কথা বললেও পাকিস্তানে টু ফিঙ্গার টেস্টের প্রচলন ছিল। বেশ কিছু মানবাধিকার সংগঠন দীর্ঘ দিন ধরে এর বিরুদ্ধে সওয়াল করছিল। তারই জেরে লাহোরের কাছে পাঞ্জাব প্রভিন্সে একটি আদালতে মামলা করা হয়েছিল। সেই মামলার রায়েই আদালত টু ফিঙ্গার টেস্ট বন্ধের রায় দিয়েছে।

পাকিস্তানে ধর্ষিত নারীদের বহু সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। রক্ষণশীল সমাজ ধর্ষিতা নারীদের নানা ভাবে অপমান করে। প্রকাশ্যে ধর্ষিতা নারীদের ভার্জিনিটি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। বস্তুত সে কারণেই এতদিন পর্যন্ত টু ফিঙ্গার টেস্টের প্রচলন ছিল বলে মানবাধিকার কর্মীদের বক্তব্য। আদালতের রায় সমাজকে এক নতুন পথ দেখাবে বলে তাঁদের আশা।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, ডিপিএ)

সংশ্লিষ্ট বিষয়