ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি মানে শুধু কম্পিউটার গেম নয় | অন্বেষণ | DW | 12.10.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি মানে শুধু কম্পিউটার গেম নয়

গাড়ির ডিলাররা আজ হবু খদ্দেরদের ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির মাধ্যমে নতুন গাড়ি দেখাচ্ছেন৷ গাড়ি ডিজাইন করার কাজেও ভিআর প্রযুক্তি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে৷

ভিডিও দেখুন 03:06
এখন লাইভ
03:06 মিনিট

গাড়ি বাণিজ্যে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি

আউডি-র আর-এইট স্পোর্টস কার: মডেলটির সবচেয়ে সরল সংস্করণের দাম পড়ে এক লাখ ছেষট্টি হাজার ইউরো৷ এ ধরনের গাড়ি তো আর সর্বত্র কিনতে পাওয়া যায় না৷ বার্লিনের আউডি-সিটি শো-রুমে আর-এইট মডেলটিকে অন্তত ডিজিট্যালি দেখা সম্ভব – ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি হিসেবে৷

প্রশিক্ষণার্থী ইয়াকব মার্টেন্স এই প্রথমবার ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি চশমা পরেছেন৷ এভাবে তিনি গাড়িটাকে ভিতর ও বাইরে থেকে পরীক্ষা করতে পারবেন – এবং বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতিতে৷ ইয়াকব অভিজ্ঞতা হল, ‘‘ধীরে ধীরে শুরু করতে হয়, যাতে ব্যাপারটা ধাতস্থ হয়৷ তারপর একসময় ওর ভিতরে ঢুকে যাওয়া যায় – নিঃসন্দেহে একটা দারুণ অভিজ্ঞতা, গাড়িটাকে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির মাধ্যমে একেবারে নিজের চোখের সামনে দেখা৷'' 

আউডি-র লক্ষ্য হল, গ্রাহকরা যাতে তাদের পছন্দ মতো খুঁটিনাটি বদলে নিয়ে নিজেদের মনের মতো গাড়ি সৃষ্টি করতে পারেন৷

আউডি-সিটির মার্কেটিং প্রধান মানফ্রেড ককমান বললেন, ‘‘ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির ফলে গ্রাহকরা আরো ঘন ঘন শো-রুমে আসবেন, এছাড়া গাড়িতে বাড়তি ফিচার বিক্রি বাড়বে বলে আউডি আশা করছে৷ সব আউডি ডিলারের পক্ষে তো আর সব মডেল স্টকে রাখা সম্ভব নয়৷''

এই ডিলারশিপে নাকি আগের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি ফিচার বিক্রি হচ্ছে – যদিও শীঘ্রই সব ডিলারশিপে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি চশমা থাকবে, কাজেই তা থেকে কোনো বিশেষ সুবিধা পাওয়া যাবে না বলে সেলসম্যানদের ধারণা৷

সেলস থেকে ডিজাইন

ডাইমলার কোম্পানিতে কর্মীরাই ভিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন, যেমন স্টুটগার্টে ডাইমলারের ডিজাইন সেন্টারে৷ নিজেদের ডিজাইন করা এক আগামী পৃথিবীতে ডাইমলারের ডিজাইনার আর ইঞ্জিনিয়াররা ভার্চুয়াল রিয়্যলিটি চশমা পরে পরীক্ষা করে দেখছেন, চালকবিহীন এফও-১৫ যানটি থেকে কী ধরনের আলোক ও শব্দসংকেত দিয়ে পথচারীদের সতর্ক করা যেতে পারে৷ 

মার্সিডিজ ডিজাইনার মার্ক  ননেনমাখার বললেন, ‘‘ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি হল প্রায় বাস্তব পরিস্থিতিতে আমাদের ধ্যানধারণাগুলো পরীক্ষা করার একটা দারুণ সুযোগ৷ দূর থেকে, একটা দ্বিমাত্রিক স্ক্রিন ব্যবহার করে৷ অথচ কীভাবে যেন তা বাস্তব বলে মনে হয়৷''

ডিজাইনাররা বিভিন্ন মডেলের ভিতরটা ডিজাইন করার জন্যও ভিআর প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকেন৷ এ পর্যন্ত শুধুমাত্র একটি লোকেশানেই পরিবর্তনগুলো করা এবং দেখা সম্ভব৷ ডাইমলার ডিজিটাল ডিজাইন-এর প্রধান ভেরা স্মিট বললেন, ‘‘আপাতত আমাদের সামনে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ হল, সারা বিশ্বে আমাদের যে বিভিন্ন স্টুডিও আছে – ক্যালিফর্নিয়ায়, চীনে ও জার্মানিতে – সেগুলিকে কীভাবে সিনক্রোনাইজ করা যায়৷ যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের স্টুডিও-য় ডিজাইনাররা ভিআর চশমা চোখে দিয়ে জার্মানির পরিবেশ দেখতে চান৷ তখন আমাদের রদবদল করতে হয়৷''

ভেরা স্মিট যতো শীঘ্র সম্ভব বিশ্বব্যাপী ডাইমলারের স্টুডিও নেটওয়ার্কটিকে সিনক্রোনাইজ করতে চান৷ দৃশ্যত ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি শীঘ্রই ডাইমলার গ্রুপের অন্যান্য বিভাগেও চালু হতে চলেছে৷

প্রতিবেদন: বেটিনা টোমা-শাডে/এসি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন