ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ব্যাপকতর রেল সহযোগিতা | বিশ্ব | DW | 30.04.2013

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ব্যাপকতর রেল সহযোগিতা

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল সংযোগ সম্প্রসারিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নেয়া হচ্ছে, যাতে দু’দেশের জনসাধারণের মধ্যে নৈকট্য আরো নিবিড় করা যায়৷ সেই লক্ষ্যে আর্থিক, কারিগরি, অপারেশনাল এবং অবকাঠামোর উন্নতির কাজ হাতে নেয়া হয়৷

ভারত ও বাংলাদেশের রেল যোগাযোগের ঐতিহাসিক এবং রাজনৈতিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য৷ রেল সংযোগ বাড়াতে সম্প্রতি দু'দেশের আন্তঃসরকার রেল প্রতিনিধিদলের মধ্যে প্রযুক্তি ও আর্থিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়৷ আন্তর্দেশীয় মালগাড়ি চলাচল, গেজ কনভার্সন অর্থাৎ মিটার গেজ লাইনকে ব্রডগেজে রূপান্তরিত করা, রোলিং স্টক অর্থাৎ ইঞ্জিন, ওয়াগন ও যাত্রি কামরার আধুনিকীকরণ ইত্যাদি নিয়ে মতৈক্য হয়৷

পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের মধ্যে ৭/৮টি পুরানো রেল লাইন আছে, তারমধ্যে মাত্র চারটি পুনরুদ্ধার করার পরিকল্পানাও রয়েছে৷ এই চারটি হলো: চিলাহাটি-হলদিবাড়ি, বিরল-রাধিকাপুর, আখাউড়া-আগরতলা এবং শাহবাজপুর-মহিষাসন৷

এবার ভারতে তৈরি ট্রেনের ইঞ্জিন, কামরা, তেলের ট্যাংকারও চলবে বাংলাদেশে৷ রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরি ডয়চে ভেলেকে জানান যে, এজন্য বাংলাদেশকে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবার চুক্তি হয়েছে৷ সেই টাকা দিয়ে ভারত থেকে রেল ইঞ্জিন, ওয়াগন, যাত্রী কামরা এবং ট্যাংকার কিনবে বাংলাদেশ৷ বরাত পাবার পর তা পাঠানোর কাজও শুরু হয়ে গেছে৷ চীনকে ঠেকাতে এটা জরুরি৷ রেল মন্ত্রকের সূত্রে বলা হয়, এতে লাভবান হবে দু'দেশই৷ ইঞ্জিন, কামরা, ওয়াগন একই প্রযুক্তির হলে দ্রুত যাত্রী ও মাল পরিবহণের সময় ও খরচের অনেক সাশ্রয় হবে৷

১২৬টি ট্যাংকার, ৭০টি আধুনিক কামরা এবং ২১টি ইঞ্জিন পাঠানো হচ্ছে ওপার বাংলায়৷ রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরি জানান, ঐসব ইঞ্জিন তৈরি হয়েছে রেলের বারানসী কারখানায়৷ সেগুলি শিয়ালদহ ডিভিশনে আনা হচ্ছে৷ মৈত্রী এক্সপ্রেসের কামরা আরো উন্নত করা হচ্ছে৷ দুই বাংলার মধ্যে চলাচলকারী মৈত্রী এক্সপ্রেসের যাত্রার সময় কম করতে কাস্টমস ও অন্যান্য কাগজপত্র পরীক্ষার কাজ ট্রেনের মধ্যেই করা হবে৷ মৈত্রী এক্সপ্রেসের সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং রিটার্ন জার্নির টিকিট দেয়া হবে৷ তবে তিস্তা চুক্তি এবং ছিটমহল বিনিময় সম্পূর্ণ হলে দুই বাংলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসবে বিপ্লব, ডয়চে ভেলেকে জানান রেল প্রতিমন্ত্রী৷

৩৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে ত্রিপুরার আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার রেল লাইন বসানোর কাজ হাতে নিয়েছে ইন্ডিয়ান রেল কন্সট্রাকশন কোম্পানি ইরকন৷ ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে ৫ কিলোমিটার ভারতে এবং ১০ কিলোমিটার বাংলাদেশে৷ নতুন রেল লাইন বসিয়ে ত্রিপুরার দক্ষিণতম সীমান্ত শহর সাব্রুমকে যুক্ত করা হবে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়