ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে করতারপুর করিডোর উদ্বোধন | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 09.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পাকিস্তান

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে করতারপুর করিডোর উদ্বোধন

জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা বাতিলের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে ছড়িয়েছিল বেশ উত্তেজনা৷ এর মধ্যে সীমান্তের দুই পাড়ে শিখ ধর্মাবলম্বীদের দুই তীর্থস্থান সংযোগের জন্য খুলে দেয়া হলো একটি করিডোর৷

সাড়ে চার কিলোমিটার লম্বা এই করিডোর ভারতের পাঞ্জাব শহরের শিখদের তীর্থস্থান ‘দেরা বাবা নানক' এর সঙ্গে পাকিস্তানের নারওয়াল জেলায় ‘গুরুদুয়ারা দরবার সাহিব'কে যুক্ত করেছে৷ শনিবার সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নিজ নিজ দেশের অংশে করিডোরটি উদ্বোধন করেন৷

শনিবার সকালে অমৃতসর পৌঁছান মোদী৷ বের সাহিব গুরুদুয়ারায় শ্রদ্ধা নিবেদনের পর করিডোরের ভারত অংশে পৌঁছান তিনি৷ প্রথম দিন করিডোর ব্যবহার করে পাকিস্তান যাওয়া তীর্থযাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং এবং ১৫০ ভারতীয় সংসদ সদস্য৷

এই করিডোর চালু হওয়ার ফলে ভিসা ছাড়াই প্রতিদিন পাঁচ হাজার শিখ ধর্মাবলম্বী ভারত থেকে পাকিস্তানে গিয়ে তাদের পবিত্র গুরুদুয়ারা ভ্রমণ করতে পারবেন৷ তবে তারা মন্দিরের বাইরে যেতে পারবেন না, বা পাকিস্তানে রাত্রিযাপনও করতে পারবেন না৷

১৯৪৭ সালে বাংলার মতো ভাগ হয় পাঞ্জাবও৷ তখন থেকেই সীমান্তের দুই পাড়ে বাস করছেন শিখ ধর্মাবলম্বীরা৷ তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সীমান্তের অপর পাড়ের ধর্মীয় পবিত্র স্থানে যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেয়া হয়৷ শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানকের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকী ১২ নভেম্বর৷ এর ঠিক আগে আগে এমন সুবিধা চালু হওয়ায় দুই দেশের শিখরাই সন্তুষ্টি জানিয়েছেন৷

এই করিডোর চালু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও, এতোদিন তা আলোর মুখ দেখেনি৷ ১৯৯৮ সালে প্রথম এই করিডোরের সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা হয়৷ এরপর ২০০৪ এবং ২০০৮ সালে আরো দুইবার উদ্যোগ নিলেও তা সফল হয়নি৷

অবশেষে কাশ্মীর নিয়ে দুই দেশে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও অক্টোবরে শিখদের জন্য ভিসাবিহীন চলাচলের এ সুবিধা চালুতে একমত হয় দুই দেশ, সই হয় চুক্তি৷

‘গুরুদুয়ারা দরবার সাহিব' শিখদের দ্বিতীয় পবিত্রতম তীর্থ৷ এখানেই গুরু নানক তার জীবনের শেষ ১৮ বছর কাটিয়েছেন৷ বন্যায় মূল স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর ১৯২৫ সালে বর্তমান স্থাপনাটি নতুন করে তৈরি করা হয়৷ ২০০৪ সালে পাকিস্তান সরকার সেটির উন্নয়ন কাজ করে৷

শিখদের সবচেয়ে পবিত্র তীর্থস্থান গুরুদুয়ারা জনম আস্তানও পাকিস্তানেই অবস্থিত৷ সেখানে গুরু নানক জন্মেছিলেন৷

এডিকে/ (এফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন