ভারতে প্রথমবারের মতো চালু হলো হিজড়াদের জন্য স্কুল | বিশ্ব | DW | 07.01.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভারত

ভারতে প্রথমবারের মতো চালু হলো হিজড়াদের জন্য স্কুল

কেরালা রাজ্যে সম্প্রতি এরকম একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে৷ মানবাধিকার কর্মীরা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন৷ তবে হিজড়াদের সমাজের সঙ্গে একীভূত করাই প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত বলে মনে করছেন তাঁরা৷

স্কুলটির নাম ‘সহজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল'৷ ছয়জন হিজড়া অ্যাক্টিভিস্ট স্কুলটি পরিচালনা করছেন৷ আপাতত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ জন৷ হিজড়া হওয়ার কারণে যারা ছোটবেলায় স্কুলে পড়াশোনা করতে যেতে পারেননি সেরকম বয়স্ক হিজড়াদের জন্য স্কুলটি গড়ে তোলা হয়েছে৷ ভবিষ্যতে তাদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে৷

স্কুলের প্রশাসক ও হিজড়া অ্যাক্টিভিস্ট বিজয়রাজা মল্লিকা ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এই শিক্ষার্থীদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটানোই আমাদের লক্ষ্য৷ আমরা চাই সমাজ তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের গ্রহণ করুক৷''

মল্লিকা সহ আরও দু'জন অ্যাক্টিভিস্ট মায়া মেনন ও সি কে ফয়সাল আশা করছেন তাঁদের উদ্যোগ ভারতে হিজড়াদের প্রতি বৈষম্য দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে৷

২০১৪ সালে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে হিজড়াদের তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়৷ তবে তারপরও সামাজিক ও আইনগত নানান বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা৷ উল্লেখ্য, দেশটিতে হিজড়ার সংখ্যা ৩০ লক্ষের বেশি৷

এলজিবিটি অ্যাক্টিভিস্ট অঞ্জলি গোপালান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘উদ্যোগটি মহৎ, তবে আসল উদ্দেশ্য হতে হবে হিজড়াদের মূল সমাজের সঙ্গে একীভূত করা৷ কাজটি সহজ নয়৷''

মানবাধিকার কর্মী প্রমাদা মেননও স্কুল চালুর উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন৷ তিনি বলেন, ‘‘স্কুল থেকে শিক্ষা নেয়ায় হিজড়ারা হয়ত ভালো চাকরি পেতে পারে, কিন্তু আসল কাজ হচ্ছে তাদের সমাজের মূল স্রোতে নিয়ে আসা৷ এতে অনেক সময় লাগবে৷''

প্রথম হিজড়া মেয়র

২০১৫ সালের জুলাই মাসে ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের রায়গড়ের মেয়র নির্বাচিত হন মধু বাই কিন্নর৷ তিনিই প্রথম নির্বাচিত মেয়র যিনি হিজড়া সম্প্রদায় থেকে এসেছেন৷ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে তিনি বিজেপির প্রার্থীকে হারিয়ে দেন৷

প্রথম হিজড়া কলেজ অধ্যক্ষ, কিন্তু...

২০১৫ সালের মে মাসে কলকাতার কৃষ্ণনগর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন মানবি বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কিন্তু সম্প্রতি তিনি পদত্যাগ করেছেন৷ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘‘আমার সব সহকর্মী, এমনকি অনেক শিক্ষার্থীও আমার বিরোধিতা করেছেন৷''

মুরালি কৃষ্ণান/জেডএইচ

এই উদ্যোগ সম্পর্কে আপনার বক্তব্য জানতে চাই৷ তাই লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন