ভারতে প্রতি দশজন মহিলার একজন ধূমপায়ী | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 28.10.2009
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

ভারতে প্রতি দশজন মহিলার একজন ধূমপায়ী

বয়স যখন মাত্র তের, তখন ভারতীয় মেয়ে সাশা চেট্টি তার জীবনের প্রথম সিগারেটটির ধোঁয়া টানার চেষ্টা করে৷ কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে নয়৷ নতুন কোন কিছুর স্বাদ নেয়াই ছিল তার লক্ষ্য৷ আর এখন তিনি সিগারেটের প্রতি পুরোপুরি নেশাগ্রস্ত৷

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

ভারতীয় নারী ধূমপায়ীর তালিকায় সাশা একা নন৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০০৮ সালে প্রকাশিত তথ্য মতে, ভারতের প্রতি দশজন মহিলার একজন ধূমপান বা তামাক গ্রহণ করে থাকেন৷ যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের পর ভারতের অবস্থান তামাক গ্রহণের দিক দিয়ে বিশ্বে তিন নম্বর৷ বিশাল সংখ্যার এই নারী ধূমপায়ীর মধ্যে ২০ শতাংশ আবার তাদের জীবনে প্রথম তামাকের স্বাদ নেন, ১০ থেকে ১২ বছর বয়সে৷ উল্লেখ্য ভারতের বড় শহরগুলোতে নারী ধূমপায়ীর হার সবচেয়ে বেশি৷

ধূমপানের বা তামক সেবনের অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে৷ সরকার বা গণমাধ্যম বিষয়টির প্রতি মানুষের বিশেষ নজর আনতে অনেক চেষ্টাও করছে৷ চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, ধূমপান মেয়েদের জন্য বিশেষ ক্ষতিকর কারণ তারা বাচ্চা ধারণ করে৷ তাছাড়া ধূমপানের কারণে ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের ফুসফুসে ক্যান্সার হয় তাড়াতাড়ি৷

এতো কিছুর পরও কেন মেয়েরা ধুমপানে আগ্রহী হচ্ছে! অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বন্ধুদের পীড়াপীড়ি আবার অনেক সময় পারিবারিক সমস্যা থেকেও, কিশোর কিশোরীরা ধূমপানে আগ্রহী হয়৷

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভারতীয় কিশোরী যে কিনা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সচেতন ছাত্রী, সিগারেট বা তামাকের ক্ষতিকর দিকগুলো জানা সত্ত্বেএ নিয়োমিত ধূমপান করে যাচ্ছেন৷ তার ভাষায়, ‘‘আমি এখন মাত্র ১৯ বাছরের৷ এর মধ্যেই আমার ঠোঁট কালো হয়ে গেছে৷ আমি জানি ধূমপানের কারণে ক্যান্সারও হয়৷ কিন্তু আমি শুনেছি যদি, আমি তিরিশের মাঝামাঝি সময়, গর্ভবতী হবার আগেই ধূমপান বন্ধ করে দেই তবে, তেমন ক্ষতি হবে না৷ তাই আমি এটা চালিয়ে যাচ্ছি৷

ভারতে মতো একটি দ্রুত উন্নয়নশীল দেশে মেয়েদের জন্য জনসম্মুখে ধূমপান বা তামাক সেবন স্বাভাবিক ব্যাপার নয়৷ কিন্তু বিষয়টি দিন দিন এতোটাই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে যে, এখন ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও ভারতের কোন বড় শহরের রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে সিগারেট টানলে কেউ বিশেষ নজরে আর তাকায় না৷

প্রতিবেদক: ঝুমুর বারী/দেবারতি মুখার্জি

সম্পাদনা: আবদুস সাত্তার

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন