ভারতে পলাতক বঙ্গবন্ধুর দুই খুনিকে ফেরত চায় বাংলাদেশ | বিশ্ব | DW | 05.08.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ভারতে পলাতক বঙ্গবন্ধুর দুই খুনিকে ফেরত চায় বাংলাদেশ

উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতের হাতে তুলে দেয়া হবে, তবে তার বিনিময়ে ভারতে বঙ্গবন্ধুর পলাতক দুই খুনিকে ফেরত চায় বাংলাদেশ৷

http://commons.wikimedia.org/wiki/File:Sheikh_mujibur_rahman1950.jpg Sheikh Mujibur Rehman during the fifties, 1950 WIKIPEDIA Sheikh Mujibur Rahman (March 17, 1920 – August 15, 1975) was a Bengali politician and the founding leader of the People's Republic of Bangladesh, generally considered in the country as the father of the Bangladeshi nation. He headed the Awami League, served as the first President of Bangladesh and later became its Prime Minister. He is popularly referred to as Sheikh Mujib, and with the honorary title of Bangabandhu.

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এতথ্য জানিয়ে বলেছেন, আগামী মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের আগেই তা সম্ভব হতে পারে৷

ভারতের আসাম রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সাধারণ সম্পাদক অনুপ চেটিয়াকে মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের আগেই ফেরত দেয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ সরকার৷ অনুপ চেটিয়া বাংলাদেশের কারাগারে আটক আছেন৷ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু জানান এজন্য আলাপ আলোচনা চলছে৷ তবে সব কিছুই নির্ভর করছে দু'পক্ষের আন্তরিকতার ওপর৷

তিনি জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকলেও সমঝোতার মাধ্যমেই অনুপ চেটিয়াকে ভারতের হাতে তুলে দেয়া হবে৷ কারণ এর বিনিময়ে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে সেখানে পলাতক বঙ্গবন্ধুর দুই খুনী ক্যাপ্টেন মাজেদ এবং রিসালদার মুসলেহ উদ্দিনকে ফেরত চায়৷

তিনি বলেন, ভারত সেখানে পলাতক বঙ্গবন্ধুর দুই খুনীকে ফেরত দিতে রাজী হয়েছে৷ তবে তারা বলেছে, ওই দু'জন ভারতের কোথায় কীভাবে আছে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে হবে বাংলাদেশকে৷

ঢাকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় সূত্র জানায় বঙ্গবন্ধুর দুই খুনী ক্যাপ্টেন মাজেদ এবং রিসালদার মুসলেহ উদ্দিন ভারতের একটি কারাগারে আটক আছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়