ভারতে নারীদের নিরাপত্তা চাইলেন ঐশ্বর্য | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 21.02.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

ভারতে নারীদের নিরাপত্তা চাইলেন ঐশ্বর্য

বলিউড তারকা এবং সাবেক বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ভারতের নারীদের সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷ গত ডিসেম্বরে নতুন দিল্লিতে এক শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের ঘটনার প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেন ঐশ্বর্য৷

দু'মাস আগে দিল্লিতে একটি চলন্ত বাসের মধ্যে ২৩ বছর বয়সি এক তরুণীর উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় একদল লোক৷ তারা তরুণীকে ধর্ষণ করে এবং লোহার লাঠি দিয়ে পেটায়৷ ধর্ষণ এবং নির্যাতনের শিকার তরুণীটি সেই ঘটনার দিনকয়েক পর মারা যান৷

চলন্ত বাসে তরুণীকে নির্যাতনের এই নির্মম ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে গোটা ভারত বর্ষ৷ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে অগুনতি মানুষ৷ ভারতে এবং আন্তর্জাতিক মহলে সুপরিচিত ৩৯ বছর বয়সি ঐশ্বর্য এই গণধর্ষণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন৷

বুধবার নতুন দিল্লিতে এক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘‘অভিযুক্তদের শাস্তি প্রদানের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন থাকতে হবে৷ তাদেরকে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে হবে৷ এভাবেই আমরা সমাজে পরিবর্তন আনতে পারি৷''

One Billion Rising Aktion gegen Gewalt gegen Frauen

সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশটিতে নারীর নিরাপত্তা এখনো প্রশ্নবিদ্ধ

বলাবাহুল্য, ভারতে গণধর্ষণ এবং যৌন হয়রানির ঘটনা আগেও ঘটলেও দিল্লি গণধর্ষণ কাণ্ড গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছে৷ সেই ঘটনায় গুরুতর আহত তরুণী কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েন৷ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়৷ কিন্তু সেখানে মৃত্যুবরণ করেন তিনি৷

নতুন দিল্লির এই ঘটনা ভারতের সমাজে নারীর মর্যাদাকে আবারো প্রশ্নবিদ্ধ করেছে৷ বিশেষ করে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে৷ ঐশ্বর্য এই বিষয়ে বলেন, ‘‘আমি দিল্লির ঘটনার পর কোন ভয় অনুভব করছি না৷ বরং আমি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এবং সেটা প্রকাশ করতে আমার মধ্যে কোন সঙ্কোচ নেই৷ আমার মত অনেকের নিরাপত্তা নিয়ে কোন শঙ্কা নেই৷ কেননা, আমরা সুরক্ষিত পরিবেশের মধ্যে থাকি৷ কিন্তু ভারতের অধিকাংশ নারীর জন্য কোন সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই৷'

উল্লেখ্য, দিল্লি গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচ ব্যক্তির বিচার দ্রুত বিচার আদালতে করা হচ্ছে৷ অন্যদিকে ষষ্ঠ অভিযুক্তকে অল্পবয়সিদের আদালতে নেওয়া হয়েছে৷ তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, গণধর্ষণ এবং অপহরণের অভিযোগ আনা হয়েছে৷

এআই / এসবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন