ভারতে এসির ব্যবহার বাড়ছে, উত্তপ্ত হচ্ছে বিশ্ব | বিশ্ব | DW | 09.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভারত

ভারতে এসির ব্যবহার বাড়ছে, উত্তপ্ত হচ্ছে বিশ্ব

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও তাপমাত্রা আগের চেয়ে বাড়ছে৷ তীব্র গরম থেকে বাঁচতে মানুষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের উপর নির্ভর করছে৷ অথচ এই যন্ত্রই পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়াতে ভূমিকা রাখে৷

২০১৬ সালে রাজস্থানের ফালোদি শহরে তাপমাত্রা ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছিল – যা একটি রেকর্ড৷ এমন অসহনীয় গরম থেকে মুক্তি পেতে ভারতের নাগরিকরা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্রের উপর নির্ভর করেন৷ ফলে ৩০ বছর আগে যেখানে ভারতে এসি ব্যবহারের হার প্রায় শূন্যের কোটায় ছিল, সেখানে আজ প্রায় পাঁচ শতাংশ মানুষ এসি ব্যবহার করছেন৷ সংখ্যার হিসেবে সেটি প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউনিট৷

পরিসংখ্যান বলছে, গত এক দশকে ভারতে এসির বাজারে প্রবৃদ্ধির হার দশ শতাংশের বেশি ছিল৷ এছাড়া মানুষের আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং এসি চালানোর মতো বিদ্যুতের জোগান থাকায় ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে ব্যবহৃত এসি ইউনিটের সংখ্যা একশ কোটি হয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷

অর্থাৎ গরম থেকে পরিত্রাণ পেতে মানুষ বিশ্বকে আরও গরম করে তুলবে৷ কারণ এসি তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণ এবং সেটি চালাতে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে উৎস, সেগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর৷ ভারতে উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের দুই-তৃতীয়াংশ আসে কয়লা আর গ্যাস থেকে৷ যদিও সে দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার বাড়ছে, তবুও আরও কয়েক দশক জীবাশ্ম জ্বালানির উপরই ভারতের নির্ভর করতে হবে, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে উঠবে৷

এই অবস্থায় ভারতের সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ী এসি ব্যবহারে নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে৷ কিন্তু এমন এসির দাম সাধারণত বেশি হয়ে থাকে৷ তাছাড়া ভারতের মতো দেশে এসি নষ্ট হয়ে গেলে সেটি ফেলে না দিয়ে মেরামতের দিকেই মানুষের আগ্রহ থাকে বেশি৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন