ভারতের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ নেপালের প্রধানমন্ত্রীর | বিশ্ব | DW | 29.06.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ভারতের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

ভারত তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছে, অভিযোগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। অভিযোগ আনলেন দলের নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধেও।

তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য চক্রান্ত করছে ভারত এবং দেশের শাসকদলের একটি অংশ। বিস্ফোরক মন্তব্য নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির। তাঁর অভিযোগ, ভারত-নেপাল সীমান্তের তিনটি জায়গা নেপালের ম্যাপে চিহ্নিত করার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করেছে ভারত। নাম না করলেও ওলির ইঙ্গিত, এই চক্রান্তে কাঠমান্ডুতে ভারতের দূতাবাস মদত দিচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত মে মাসের ৮ তারিখ। ওই দিন ভারত-নেপাল সীমান্তে একটি নতুন রাস্তার উদ্বোধন করেন ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তাটি লিপুলেখ পাস হয়ে উত্তারখণ্ডের ধারচুলা পর্যন্ত গিয়েছে। লিপুলেখ ভারত এবং নেপাল সীমান্তে অবস্থিত। রাস্তাটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী উদ্বোধন করার পরেই প্রতিবাদ জানায় নেপাল। নেপালের বক্তব্য, লিপুলেখ নেপালের ভিতরে অবস্থিত। ভারত নেপালকে না জানিয়ে তাদের ভূখণ্ডে রাস্তা তৈরি করেছে।

ভারতপাল্টা দাবি করে, লিপুলেখ ভারতীয় ভূখণ্ডের অন্তর্গত। এরপরেই দুই দেশের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতেই নেপালের সংসদে একটি নতুন ম্যাপ পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী ওলি। সেখানে নেপালের ম্যাপে তিনটি নতুন জায়গা চিহ্নিত করা হয়-- লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধুরা। নেপালের সংসদে ম্যাপটি পাশও হয়ে যায়। ভারত এর তীব্র প্রতিবাদ করে।

ভিডিও দেখুন 02:20

লাদাখে এখনও উত্তেজনা

নেপালে এমনিতে খুব ভালো পরিস্থিতিতে নেই ওলির সরকার। কমিউনিস্ট পার্টির ভিতরেই সেখানে তীব্র বিরোধ শুরু হয়েছে। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম নেতা প্রচণ্ডের সঙ্গে ওলির সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। প্রচণ্ড প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, ওলিকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন হিসেবে নির্বাচন করা একটি ঐতিহাসিক ভুল। দলের ভিতর থেকে একাধিকবার ওলিকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু ওলি তা মানতে চাননি। প্রচণ্ড গোষ্ঠীর অভিযোগ, ওলি নিজেকে দলের ঊর্ধ্বে বলে মনে করছেন। সরকারের সঙ্গে দলের সংযোগও তিনি আলগা করে দিয়েছেন।

এই পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় রাজনৈতিক ভাবে এক নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে নেপালে। ওলিপন্থীদের অভিযোগ, ওলির বিরুদ্ধে এ বার ভারতকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে ওলি-বিরোধীরা। রোববার ওলি নিজেই সেই অভিযোগ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতের দূতাবাসও এই চক্রান্তে সামিল হয়েছে। কিন্তু কেউ তাঁকে এবং তাঁর সরকারকে গদিচ্যূত করতে পারবে না। ওলির এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানার জন্য ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ডয়চে ভেলে। কিন্তু কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এসজি/জিএইচ (পিটিআই, ইন্ডিয়া টুডে)

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন