ভারতের টিকার জন্য ধৈর্য ধরার আহ্বান | বিশ্ব | DW | 22.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

করোনা সংকট

ভারতের টিকার জন্য ধৈর্য ধরার আহ্বান

বিশ্বে টিকা উৎপাদনের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইনডিয়ার কাছে যেসব দেশ ও সরকার করোনাভাইরাসের টিকা চেয়েছে, তাদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও আদর পূনাওয়ালা।

আদর পূনাওয়ালা

আদর পূনাওয়ালা

এক টুইটে তিনি বলেছেন, টিকা রপ্তানি করার ক্ষেত্রে ভারতের নিজস্ব চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ‘নির্দেশনা’ রয়েছে৷ ফলে অন্য দেশে রপ্তানি হয়ত বিলম্বিত হতে পারে৷ নিউ ইয়র্ক টাইমসকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, কার তরফ থেকে সেরাম ইনস্টিটিউট ওই নির্দেশনা পেয়েছে, সিইও তা বলেননি৷ এ প্রশ্নে তার কোম্পানির কোনো মন্তব্যও পাওয়া যায়নি৷ 

বিশ্বে প্রতিবছর টিকা উৎপাদনের তিন-পঞ্চমাংশ সরবরাহ ভারত৷ ভারতে জানুয়ারির মাঝামাঝি করোনা ভাইরাসের টিকাদান শুরু হলেও এখন পর্যন্ত মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশকেও টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়নি ৷

এর মধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি টিকা ভারতে উৎপাদন এবং কোভিশিল্ড নামে বাজারজাত করছে সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইনডিয়া ৷ ভারতীয় কোম্পানি ভারত বায়োটেক তাদের টিকা বাজারজাত করছে কোভ্যাক্সিন নামে৷ যুক্তরাষ্ট্রের নোভাভ্যাক্সের উদ্ভাবিত করোনা ভাইরাসের টিকাও উৎপাদন করতে চুক্তিবদ্ধ হলেও সেরাম ইনস্টিটিউট এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায়৷

বাংলাদেশ সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে তিন কোটি ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কিনছে৷ চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ সরবরাহ করার কথা ভারতের৷ প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ পাওয়ার পর জানুয়ারিতে সারা দেশে গণ টিকাদান শুরু হয়েছে৷ সোমবারই সেরামের দ্বিতীয় চালানের টিকা দেশে পৌঁছানোর কথা ৷

বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি কোভ্যাক্সকেও ২০ কোটি ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়ার কথা রয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউটের ৷ আগামীতে আরো ৯০ কোটি ডোজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে আদর পূনাওয়ালার কোম্পানি৷

নিউ ইয়র্ক টাইমস লিখেছে, সেরাম ইনস্টিটিউটের সিইওর আদর পূনাওয়ালা ধৈর্য ধরার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে তারা কোভ্যাক্সের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো উত্তর পায়নি৷

তুলনামূলক দাম কম এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি সহজ হওয়ার কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়ে আগ্রহ বেশি৷

এনএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়