.ভারতীয় সেনায় চার বছরের জন্য অগ্নিবীর নিয়োগ | বিশ্ব | DW | 15.06.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

.ভারতীয় সেনায় চার বছরের জন্য অগ্নিবীর নিয়োগ

ভারতীয় সেনার জন্য নতুন অগ্নিপথ প্রকল্প চালু করলো সরকার। চার বছরের জন্য সেনা নিয়োগের পরিকল্পনা। প্রথম বছরে নিয়োগ ৪৮ হাজার যুবককে।

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

অগ্নিপথ স্কিম অনুযায়ী প্রতিবছর ১৭ বছর ছয় মাস থেকে ২১ বছর বয়সিদের সেনায় ভর্তি করা হবে। তাদের নাম দেয়া হয়েছে অগ্নিবীর। তাদের চাকরির মেয়াদ হবে চার বছর। চার বছর পর ২৫ শতাংশ অগ্নিবীরকে ভারতীয় সেনায় স্থায়ী চাকরি দেয়া হবে। বাকিদের সার্টিফিকেট দেয়া হবে। সরকারের দাবি, তাদের এরপর চাকরি পেতে কোনো অসুবিধা হবে না।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, অগ্নিপথ প্রকল্প চালু হওয়ার পর ভারতীয় সেনার চেহারা বদলে যাবে। তা আরো নবীন হবে।

রাজনাথ বলেছেন, প্রথম বছরে অগ্নিবীররা বছরে প্রায় চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা পাবেন। চতুর্থ বছরে পাবেন ছয় লাখ ৯২ হাজার টাকা। চার বছর পর মেয়াদশেষে তারা ১১ লাখ ৭১ হাজার টাকার সেবা নিধি প্যাকেজ পাবেন। তাদের বেতনের তিরিশ শতাংশ অর্থ সেবা নিধিতে রাখতে হবে। এছাড়া ৪৮ লাখ টাকার বিমার সুবিধাও তারা পাবেন।

এই বছর ৪৬ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে। রাজনাথ বলেছেন, ভারতের যুবকরা অগ্নিপথ প্রকল্পের অধীনে সেনাবাহিনীতে সেবা করার সুযোগ পাবেন। ভারতীয় সেনাকে আরো শক্তিশালী করার জন্য এই প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মত

লেফটন্যান্ট জেনারেল অনিল পুরি বলেছেন, ''অগ্নিবীররা হবে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি সেনা। তার মতে, অগ্নিবীররা হবেন ভারতের তরুণ রক্ষাকর্তা। চার বছর পর অগ্নিবীররা যখন বাইরে আসবেন, তখন তাদের মনোভাব বদলে যাবে, দক্ষতা বাড়বে, আমাদের সঙ্গে কাজ করার সুফল তারা পাবে।''

সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পান্ডের মতে, ''অগ্নিপথ প্রকল্পের ফলে সেনার আমূল পরিবর্তন হবে। এখানে অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্য মিশবে।''

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, এর ফলে সরকারের উপর থেকে প্রতিবছর সেনার বাড়তি বেতন ও পেনশনের চাপ কমবে। বহু বছর ধরে সরকার এই চাপ নিয়ে চিন্তিত ছিল। এছাড়া সাবেক সেনা কর্তাদের একাংশ এই নতুন কাঠামো নিয়ে সন্দিহান। তাদের মতে, তাদের রেজিমেন্ট ও ব্যাটেলিয়ানের প্রতি সেনার দায়বদ্ধতা থাকে, গর্ব থাকে। এই দায়বদ্ধতা ও গর্ব তাদের চালিকাশক্তি হয়। তার ফলে তারা সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে কাজ করতে পারেন। অগ্নিবীরদের ক্ষেত্রে সেই দায়বদ্ধতা ও গর্ব থাকবে কি?

জিএইচ/এসজি (পিটিআই, এএনআই)