ব্রিটিশ রাজবাড়ির মোহে বিভোর হলিউড | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 23.02.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ব্রিটিশ রাজবাড়ির মোহে বিভোর হলিউড

রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের পিতা এবং পরলোকগত কুইন মাম্-এর স্বামী - ও তাঁর তোতলামো নিয়ে ছবি যে এ’ভাবে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং’এর যুগে মার্ক সাকারবার্গের জীবনকাহিনীকে টেক্কা মেরে যাবে, কে ভাবতে পেরেছিল৷

default

অভিষেকের দিন রাজা ষষ্ঠ জর্জ, দুই কন্যা এবং মহিষী সহ

কিন্তু অস্কার রজনী যতোই এগিয়ে আসছে, ততোই বোঝা যাচ্ছে, ‘কিংস স্পীচ' এবার ২৭শে ফেব্রুয়ারি দুনিয়া মাত করবে৷ সেরা ছবি সহ ১২টি বিভাগে অস্কারের জন্য মনোনয়ন পাওয়া ছবি৷ কিন্তু তার সৌন্দর্য এবং সাফল্যের চাবিকাঠি হচ্ছে, এক কথায়, আমেরিকানদের ব্রিটেনের রাজপরিবার সম্পর্কে মোহ৷ হাজার হোক, মার্কিনিদের আর সবই আছে, শুধু কোনো রাজপরিবার নেই৷ হলিউডের নায়ক-নায়িকা, এমনকি হোয়াইট হাউসের বাসিন্দাদের কেচ্ছা-কাহিনী নিয়ে এক ধরনের রাজকীয় রোমাঞ্চের আমেজ পাওয়া যায় বটে, কিন্তু ব্রিটেনের রাজপরিবারের ইতিহাস তো ব্রিটেন তথা মানবজাতির ইতিহাসের সঙ্গে ওতঃপ্রোতভাবে জড়ানো৷

Helen Mirren als Queen Elizabeth II

রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের ভূমিকায় হেলেন মিরেন

কাজেই মর্মস্পর্শী কাহিনী, জমাটি চিত্রনাট্য, খাঁটি ব্রিটিশ এ্যাকসেন্টে সংলাপ বলা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়ে ‘কিংস স্পীচ'-এর মতো কোনো ব্রিটিশ পিরিয়ড ফিল্ম এলে হলিউডের সকলেই রুমাল ভিজিয়ে ফেলেন৷ তায় আবার সামনে আসল রয়াল রোমান্স: এপ্রিলে প্রিন্স উইলিয়াম আর কেট মিডলটনের বিয়ে৷

বাকিটা অস্কারের ইতিহাস: ২০০৬ সালে হেলেন মিরেন ‘‘দ্য কুইন'' ছবিতে রাণী এলিজাবেথ সেজে অস্কার পান৷ ১৯৯৮ সালে ‘‘শেক্সপীয়র ইন লাভ'' সাতটা অস্কার পেয়েছিল, তার মধ্যে ডেম জুডি ডেঞ্চ পেয়েছিলেন একটি, স্বল্পসময়ের জন্য রাণী প্রথম এলিজাবেথ সাজার জন্য৷ শেক্সপীয়রের নাটক দেখতে গেলে ব্রিটিশ অভিনেতা এবং ব্রিটিশ উচ্চারণ চাই, এটা সব আমেরিকান মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে৷ - কাজেই ‘‘দ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্ক''-এর মতো খাঁটি মার্কিন ছবিকেও এবার মার খেতে হল মার্কিনিদের এই অহেতুকী ব্রিট্রিশ রোমান্সের জন্য৷

তা নয়, বর্তমান হারল অতীতের কাছে, বাস্তব হারল রোমান্সের কাছে, ব্যবহারিক জীবন হারল মনুষ্যপ্রকৃতির কাছে৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন