ব্রাজিলে ‘ধর্ষণের সংস্কৃতির′ বিরুদ্ধে প্রতিবাদ | বিশ্ব | DW | 04.06.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ব্রাজিলে ‘ধর্ষণের সংস্কৃতির' বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

গত ২১শে মে রিও ডি জানেরো শহরে ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর ব্রাজিলের নারীরা প্রতিবাদে ফেটে পড়েন৷ প্রতিবাদ মিছিলে তাঁরা বলছেন, ‘‘আমরা সকলেই রক্তাক্ত'', ‘‘ধর্ষিতা দোষী নয়'', ‘‘আমার শরীর তোমার নয়৷''

জনা ত্রিশেক পুরুষ এক ষোড়শীকে ধর্ষণের পর তার রক্তাক্ত, নগ্ন দেহের ভিডিও অনলাইনে পোস্ট করা হয়৷ এ খবর ব্রাজিলকে চমকে দিয়েছে৷ ভিডিওতেই ধর্ষণকারীদের বড়াই করে বলতে শোনা গেছে যে, ত্রিশজনের বেশি পুরুষ তকরেছে৷

বুধবার ভিডিওটি প্রকাশিত হবার সাথে সাথেই অনলাইনে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে৷ বুধবার পুলিশ তিন জন সন্দেহভাজন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ আরো তিনজনের খোঁজ চলেছে৷ ব্রাজিলের সেনেট সঙ্গে সঙ্গে গণধর্ষণের সাজা বাড়িয়ে ও ধর্ষণের ভিডিও প্রকাশ করাকে অপরাধ ঘোষণা করে একটি বিল পাশ করেছে৷
তা সত্ত্বেও দেশ জুড়ে প্রতিবাদ চলছে, কেননা, ব্রাজিলের নারীরা রাজনীতির উপর বিশেষ আস্থা রাখতে পারছেন না৷ ব্রাজিলের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট ডিলমা রুসেফ ক্ষমতাচ্যুত হবার পর অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট মিশেস টেমার শাসনভার নিয়েছেন৷ কিন্তু তাঁর মন্ত্রীসভায় কোনো নারী নেই৷

অন্যদিকে তাঁর নারী বিষয়ক সচিব একজন গোঁড়া খ্রিষ্টান যিনি অতীতে ধর্ষণের ক্ষেত্রেও গর্ভপাতের বিরোধিতা করেছেন৷ অবশ্য ফাতিমা পেলায়েজ বুধবার বলেছেন যে, তিনি এই বিতর্কে তাঁর ব্যক্তিগত মতামতকে প্রাধান্য দেবেন না৷

জাতিসংঘের নারী অধিকার সংস্থা রিও ডি জানেরোতে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনা ছাড়াও উত্তর-পূর্বের পিয়াওই শহরেও এক ১৭ বছরের কিশোরীর ধর্ষণের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে৷ সংস্থার ব্রাজিল শাখার মুখপাত্র নাডিন গাসমান বলেছেন যে, টিন-এজ মেয়েদের পরিকল্পিতভাবে ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে ড্রাগসের যোগ আছে৷ ‘থিংক ওলগা' নারী অধিকার গোষ্ঠীর মুখপাত্র লুইজে বেলো বলেছেন, ‘‘ব্রাজিলে ধর্ষণের সংস্কৃতি খুবই সবল৷ ওটা যে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ, লোকে তা স্বীকার করতে চায় না৷''

এসি/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন