ব্রাজিলে একদিনে করোনা আক্রান্তের রেকর্ড | বিশ্ব | DW | 29.05.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

ব্রাজিলে একদিনে করোনা আক্রান্তের রেকর্ড

ব্রাজিলে করোনা পরিস্থিতি আরো খারাপ হলো। একদিনে রেকর্ড সংখ্যক লোক করোনায় আক্রান্ত হলেন। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় আবার নতুন করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।

করোনা নিয়ে প্রথম থেকেই বেপরোয়া আচরণ করছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইয়া বলসোনারো। তিনি অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য দেশে করোনা নিয়ে কড়াকড়ি করেননি। নিজেও সামাজিক দূরত্ব মানছেন না। তাই ফুটবল সম্রাট পেলের দেশে করোনা ভয়ঙ্করভাবে ছড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ৪১৭ জন। একদিনে ব্রাজিলে সব চেয়ে বেশি লোক করোনায় আক্রান্ত হলেন। সবমিলিয়ে আক্রান্ত চার লাখ ৩৮ হাজার ২৩৮ জন। করোনা আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে অ্যামেরিকা এক নম্বরে, দুইয়ে ব্রাজিল। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে  মারা গিয়েছেন এক হাজার ১৫৬ জন।  মোট মৃতের সংখ্যা ২৬ হাজার ৭৫৪। এই হারে মৃত্যু হলে আর একদিনেই স্পেনকে ছাড়িয়ে যাবে তারা।

শুধু ব্রাজিল নয়, পেরু, চিলি, কলম্বিয়ার মতো দেশেও দ্রুত করোনা ছড়াচ্ছে। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম জানিয়েছে, করোনার ফলে ল্য়াটিন অ্যামেরিকা ও ক্যারিবিয়ানে প্রবল খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে। এক কোটি ৪০ লাখ লোককে অভুক্ত থাকতে হবে। 

অ্যামেরিকায় অবশ্য একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা এখনও ব্রাজিলের থেকে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে মারা গিয়েছেন এক হাজার ২৯৭ জন। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো এক লাখ এক হাজার ৫৭৩। অ্যামেরিকায় সব চেয়ে খারাপ অবস্থা নিউ ইয়র্কের। তবে শহরের মেয়র একটা পরিকল্পনা করেছেন, যাতে আগামী দিনে সবাই আবার কাজে যোগ দিতে পারেন। এর ফলে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইছেন, অর্থনীতি সচল রাখতে এবার সব স্বাভাবিক করে দিতে।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সৌলে নতুন করে ৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সরকারিভাবে বলা হয়েছে, শহরের কাছে একটি ই কমার্স সংস্থার গুদামের কর্মীরাই মূলত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, কিছুদিন ধরে সেখানে নতুন করে বেশি লোক করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন না। তাই কড়াকড়ি অনেক শিথিল করা হয়েছিল। স্কুলও চালু করে দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু গত তিনদিনে ১৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হওযার পর আবার কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। স্কুলে একসঙ্গে সব বাচ্চাকে পাঠানো হবে না।

ডেনমার্কও স্কুল চালু করে দিচ্ছে। ফ্রান্সও আগামী ২ জুন থেকে কড়াকড়ি শিথিল করছে। রেস্তোরাঁ, বার, কাফে খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে জার্মানিতে আবার করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪১ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের।

ভারতে লকডাউন আরো বাড়ানো হবে কিনা, তা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কথা বলেছেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গ, মহারাষ্ট্র, গোয়াসহ অনেক রাজ্যই লকডাউন আরো দুই সপ্তাহ বাড়ানোর পক্ষে। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও অমিত শাহের মধ্যে একদফা আলোচনাও হয়েছে। মুম্বই, দিল্লি, আমেদাবাদসহ দেশের এগারোটি বড় ও মাঝারি শহরের অবস্থা বেশ খারাপ। সেখানে করোনায় আক্রান্তর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

ডিএইচ/এসিবি   (এপি, রয়টার্স. পিটিআই)

বিজ্ঞাপন