ব্যাংকের সময় বাড়ছে, কঠোর ভূমিকায় সরকার | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 02.04.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

ব্যাংকের সময় বাড়ছে, কঠোর ভূমিকায় সরকার

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে বাংলাদেশে সাধারণ ছুটি বেড়েছে৷ এ অবস্থায় জনগণের সুবিধার্থে আগামী সপ্তাহ থেকে ব্যাংক লেনদেনের সময় একঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে৷

ছুটির এ সময়ে জরুরি প্রয়োজনে অফিস খোলা রাখা যাবে৷ প্রয়োজনে ঔষধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানাও চালু রাখা যাবে৷

ব্যাংক লেনদেন

গত ২৬ মার্চ থেকে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সারাদেশে সব অফিস আদালত বন্ধ রয়েছে৷ ব্যাংকগুলোতে লেনদেন হচ্ছে সীমিত আকারে৷ চলতি সপ্তাহে ব্যাংকে সকাল ১০ থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত লেনদেন কার্যক্রম চলছে৷ আর ব্যাংক খোলা থাকছে বেলা দেড়টা পর্যন্ত৷

এ অবস্থায় গ্রাহকদের সুবিধার্থে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার ‍জারি করে আগামী সপ্তাহে ব্যাংক লেনদেনের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত জানায়৷ ব্যাংক খোলা থাকবে বেলা ৩টা পর্যন্ত৷

কঠোর হচ্ছে সেনাবাহিনী

কোভিড-১৯ মহামারী ঠেকাতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় আগেই মাঠে নামা সেনাবাহিনী এবার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হোম কোয়ারান্টিন নিশ্চিত করতে কঠোর হতে যাচ্ছে৷

গত বুধবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার থেকে সেনাবাহিনী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে৷

তিন হাজার হাজতিকে মুক্তি দেওয়া হতে পারে

করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন মামলায় বিচারাধীন প্রায় তিন হাজার হাজতিকে সাময়িকভাবে মুক্তি দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার৷

হাজতিদের একটি তালিকা তৈরি করে ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবও পাঠিয়েছে কারা-কর্তৃপক্ষ৷

কারা-অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. আবরার হোসেন বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ প্রস্তাব দিয়েছি, এটা মন্ত্রণালয়েরই আদেশ৷

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে ওই প্রস্তাব যাবে আইন মন্ত্রণালয়ে৷ সেখানে আপত্তি না থাকলে পাঠানো হবে আদালতে৷

‘‘শেষ পর্যন্ত বিচারকই সিদ্ধান্ত নেবেন জামিন দেওয়া যায় কিনা৷ মুক্তির বিষয়টা বিচারকদের হাতে, আমাদের হাতে নয়৷''

পর্যায়ক্রমে চালু হবে গণপরিবহন

গত ১ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়৷ পরের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মোট ছুটি বেড়ে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত হয়েছে৷ এই সময়ে মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল এবং বাস সার্ভিস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে৷

খুলছে খাবারের দোকান

আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সব দোকানপাট-বিপনিবিতান ও শপিং মল বন্ধ থাকবে৷ প্রথম দফায় সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর রেস্তোরাঁ এবং খাবারের দোকানও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল৷ তবে পরবর্তীতে আদেশ কিছুটা শীথিল হওয়ায় খাবারের দোকান খুলতে শুরু করেছে৷ কিন্তু বেশিরভাগ দোকান গ্রাহকদের বসে খেতে না দিয়ে খাবার পার্সেল করে দিচ্ছে৷ ছুটিতে কর্মচারীরা বাড়ি চলে যাওয়ায় এবং ক্রেতা একদম কমে যাওয়ায় তাদের আগের মত ব্যবসা হচ্ছে না৷

ভাইরাস শনাক্তে পরীক্ষার পরিধি বাড়ছে

প্রথমে রাজধানী ঢাকায় শুধু সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটে-আইইডিসিআর করোনা ভাইরাস পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলেও এখন ঢাকা শিশু হাসপাতাল, আইপিএইচ ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিকাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইইডিসিআরের ফিল্ড ল্যাবরেটরিতে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা শুরু হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক৷ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে পরীক্ষার পরিধি আরো বাড়বে বলেও গত রোববার জানিয়েছিলেন তিনি৷

এসএনএল/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

দেখুন ২৭ মার্চের ছবিঘর...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন