বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ নব্য জেমএমবির দুই সদস্য গ্রেপ্তার | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 02.08.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ নব্য জেমএমবির দুই সদস্য গ্রেপ্তার

চলতি বছরের মে মাসে নারায়ণগঞ্জে ট্রাফিক বক্সে যে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করেছিল কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট; সেটি তৈরির প্রশিক্ষণ অনলাইনে পেয়েছিল নব্য জেএমবির সদস্যরা৷

বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ নব্য জেমএমবির দুই সদস্য গ্রেপ্তার

বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ নব্য জেমএমবির দুই সদস্য গ্রেপ্তার

ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানায়, রোববার রাতে যাত্রাবাড়ী থেকে দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে সিটিটিসি৷ ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার দুইজন অনলাইনে সংগঠনের প্রশিক্ষক ফোরকানের কাছে বোমা তৈরি শিখেছিলেন৷

গত ১৬ মে সাইনবোর্ড এলাকায় পুলিশের ট্রাফিক বক্সে পাওয়া বোমাটি রিমোর্ট কন্ট্রোলের ক্রুটির কারণে বিস্ফোরণ ঘটানো যায়নি বলে জানান আসাদুজ্জামান৷

যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. শফিকুর রহমান হৃদয় ওরফে খাত্তাব ও মো. খালিদ হাসান ভূইয়া ওরফে আফনান৷ তাদের কাছ থেকে ৪০০ গ্রাম বিস্ফোরক জাতীয় পদার্থ, তিনটি বিউটেন গ্যাসের ক্যান, রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস, চার প্যাকেট বিয়ারিং বল, টেপ, আইইডি তৈরির ম্যানুয়াল ও একটি মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়েছে৷

সিটিটিসি প্রধান মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গত ১১ জুলাই আড়াইহাজার থানার নোয়াগাঁও থেকে বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

তারা জানিয়েছে, নব্য জেএমবির আমির মাহাদী হাসান জন ওরফে আবু আব্বাস আল বাঙ্গালীর নির্দেশে ১৬ মে ট্রাফিক বক্সে বোমাটি রাখা হয়েছিল৷ শফিকুর ও খালিদ ম্যানুয়াল ও ভিডিও দেখে বোমা তৈরির অনলাইন প্রশিক্ষক ফোরকানের তত্ত্বাবধানে আব্দুল্লাহ আল মামুনের কক্ষে আইইডিটি তৈরি করে৷

ফোরকান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে৷ এই পর্যন্ত জানতে পেরেছি ফোরকান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের শিক্ষার্থী৷''

অনলাইনে জঙ্গিদের তৎপরতা বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই৷ পুলিশও তৎপর রয়েছে৷

এনএস/এসিবি(বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন