বৈরুতের গুদামে ভর্তি হেজবোল্লাহর অস্ত্র, দাবি ইসরায়েলের | বিশ্ব | DW | 30.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

বৈরুতের গুদামে ভর্তি হেজবোল্লাহর অস্ত্র, দাবি ইসরায়েলের

বৈরুতের গুদামে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র জমা করেছে হেজবোল্লাহ। যে কোনো সময় সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ হতে পারে বলে অভিযোগ ইসরায়েলের।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রেকর্ড করা বক্তৃতায় অভিযোগ করলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, বৈরুতে জনবহুল জায়গায় একটি গ্যাস স্টেশনের কাছে গুদামে গোপনে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র জমা করে রেখেছে হেজবোল্লাহ। কিছুদিন আগে বৈরুতের বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছিল। আবার সেখানে ভয়াবহ বিস্ফোরণের সম্ভাবনা প্রবল বলে তাঁর মত।

বক্তৃতার সময় বৈরুতের ম্যাপের উপর লেসার পয়েন্টার দিয়ে নেতানিয়াহু দেখান কোথায় অস্ত্রশস্ত্র জমা করা আছে। তাঁর দাবি, গুদামটি গ্যাস স্টেশন থেকে কয়েক মিটার দূরে। তার ৫০ মিটার দূরে গ্যাস কোম্পানির অফিস। এই এলাকার লোকের কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেছেন, ভয়াবহ বিস্ফোরণ হতে পারে এটা যেন তাঁরা মাথায় রাখেন।

ইসরায়েলের সেনার পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তারা এর আগে বিষয়টি জাতিসংঘকে জানিয়েছিল।

ইসরায়েলের এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে হেজবোল্লাহ। হাসান নাসরাল্লাহ জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী লেবাননের লোককে উসকানি দিচ্ছেন। যে জায়গার কথা তিনি বলেছেন, সেখানে কোনো অস্ত্রশস্ত্র নেই। তাঁরা ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় ক্ষেপনাস্ত্র মোতায়েন করেন না। তাঁরা জানেন কোথায় ক্ষেপনাস্ত্র মোতায়েন করতে হয়।

হেজবোল্লাহর তরফে এরপর সাংবাদিকদের ওই গুদামে নিয়ে যাওয়া হয়। দেখানো হয়, সেখানে কোনো অস্ত্র নেই। সেটা একটা কারখানা। লোহা কাটা হয়। কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডারও সেখানে রাখা আছে। হেজবোল্লাহর দাবি, এটা একটা বেসরকারি কারখানা মাত্র।

জাতিসংঘে ইরানের প্রতিনিধিও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, জার্মানি, অ্যামেরিকা সহ বেশ কিছু দেশ হেজবোল্লাহকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে মনে করে।

জিএইচ/এসজি(ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়