বেলজিয়ামের যমজ ভাইদের অভিনব রান্না | বিশ্ব | DW | 22.03.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

বেলজিয়ামের যমজ ভাইদের অভিনব রান্না

হুবহু যমজ ভাইবোনরা নাকি পরস্পরের মনের কথাও বোঝেন৷ বেলজিয়ামে দুই যমজ রাঁধুনি সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে অসাধারণ সৃষ্টির কাজে মেতে রয়েছেন৷ তাঁদের খাদ্যের খ্যাতি গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে৷

default

প্রতীকী ছবি

স্ক্যালপের সঙ্গে টাইম পাতা দেওয়া মাখন৷ বেলজিয়ামের দুই নামকরা রাঁধুনি সরাসরি বাসায় এমন সুস্বাদু খাবার পৌঁছে দেন৷ ক্রিস্টফ ও স্টেফান বক্সি সেই ক্যাটারিং ব্যবসা চালান৷ ছোটবেলা থেকেই দুই ভাই হাঁড়িকড়া নিয়ে নাড়াচাড়া করতেন৷ রান্নার ক্ষেত্রে তাঁরা একে অপরের সম্পূরক৷ দুই রাঁধুনির একই স্বাদ পছন্দ৷ আসলে দু'জনেই হুবহু যমজ৷ দুই ভাইয়েরই মশলাদার খাবার পছন্দ, চাই ভালো স্বাদ৷

বক্সি-ভাইরা অনবদ্য সৃষ্টির কাজে মেতে রয়েছেন৷ বেলজিয়ামের উত্তরে খেন্ট শহরের উপকণ্ঠে তাঁদের ডেরা৷ কাচ দিয়ে তৈরি আধুনিক রান্নাঘর স্টুডিও দেখলে বোঝা যায়, এখানে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে৷ দু'জনের মধ্যে সত্যি দারুণ বোঝাপড়া রয়েছে৷

দুই ভাই একেবারে নতুন এক স্টার্টার পরীক্ষা করেন৷ যেমন একটি পদের উপকরণ শুকনা স্প্রিং অনিয়ন, পার্সলে পাতার শিকড়ের ভরতা ও ডিম৷ তাঁরা প্রত্যেকটি নতুন পদ এঁকে রাখেন, সঙ্গে সব উপকরণের নাম, মাপ ও ওজন লিখে রাখা হয়৷ দু'জনের কাজও ভাগ করা থাকে৷ স্টেফান সৃজনশীল দিকটা দেখেন৷ আর ক্রিস্টফ বাস্তব দিকটা সামলান৷ ভাইয়ের সৃজনশীলতার ঠেলা সামলাতে প্রায়ই তিনি হিমশিম খেয়ে যান৷ ক্রিস্টফ বলেন, ‘‘আমি কোনো ক্যাটারিং ইভেন্টে গিয়ে খাদ্য তালিকা দেখে ভাবি, সমস্যায় পড়েছি৷ তখন ভাইকে ডাকতে হয়৷ কিন্তু আমি তার চিন্তাভাবনা বুঝতে পারি৷ তাই তো আমরা যমজ৷ সেটাই আমাদের সুবিধা৷....তুমি কী ভাবছো, কী করছো, সব সময় তা অনুমান করতে পারি৷’’

এর মধ্যে তাঁদের রন্ধনশিল্পের খ্যাতি গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে৷ দু'জনে মিলে বেশ কয়েকটি রেসিপি বই লিখেছেন৷ টেলিভিশনেও তাঁদের নিজস্ব কুকিং শো রয়েছে৷

গোপন ক্যামেরা নিয়ে তাঁরা ২০১৫ সালে ব্রাসেলস শহর ঘুরেছেন এবং নিজেদের পছন্দের কাজ করেছেন৷ অর্থাৎ খাওয়াদাওয়া, আড্ডা, তর্ক-বিতর্ক ও আরও খাওয়া৷

যমজ হওয়ার কারণে তাঁরা নজর কাড়েন বেশি৷ ১৯৬১ সালে জন্মের পর থেকেই তাঁরা এক অবিচ্ছেদ্য টিম৷ রান্নার নেশাও একসঙ্গে তৈরি হয়েছিল৷ সাধারণ মানুষ গাড়ি, লেগো, পুতুল সৈন্য নিয়ে খেলে৷ তাঁরা বালুতে হাঁড়ি নিয়ে খেলতেন৷

২১ বছর বয়সে দুই ভাই প্রথম রেস্তোরাঁটি খোলেন৷ অসাধারণ সৃষ্টিকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁরা একটি মিশেলিন স্টার খেতাবও পেয়েছেন৷

লার্স শলট্যুসসিক/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন