বুন্ডেসলিগায় এবার ঝলক দিচ্ছে অখ্যাত মাইঞ্জ | খেলাধুলা | DW | 26.09.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

বুন্ডেসলিগায় এবার ঝলক দিচ্ছে অখ্যাত মাইঞ্জ

পর পর ছ’টি সপ্তাহান্তে, ছ’টি গেমে জিতল মাইঞ্জ৷ সর্বাধুনিক চমক এই শনিবার, বায়ার্ন মিউনিখ’কে তাদের নিজেদের মাঠে হারাল মাইঞ্জ৷

default

গোল দেবার পর মাইঞ্জের সামি আলাগুই-এর উল্লাস

মাইঞ্জ এখন আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছে৷ কাজেই খোদ মিউনিখের এ্যালিয়ান্স এ্যারেনা'তে খেলতে গিয়েও বুক কাঁপে না তাদের৷ খেলার পনেরো মিনিটের মাথাতেই একটি শক গোলে এগিয়ে যায় মাইঞ্জ: লিউইস হল্টবি'র একটি পাস ফ্লিক করে গোলে ঢুকিয়ে দেয় সামি আলাগুই৷ হাফ-টাইমে আসার তখনো এক মিনিট, আর বায়ার্নের ভাগ্যটা চিরকালই ভালো৷ কাজেই লোকজন অবাক হয়ে দেখে মাইঞ্জের তরফে একটি ডবল প্রমাদ৷ ডিফেন্ডার বো সোয়েনসন যে কোন কুক্ষণে গোলরক্ষক ক্রিস্টিয়ান ভেটক্লো'কে হেড করে বলটা ফেরৎ দিতে গেছিলেন! ভেটক্লো আবার ঠিক সেই মুহূর্তেই গোল ছেড়ে বের হওয়ায় চমৎকার একটি সেমসাইড গোল হল৷ বায়ার্ন ১-১'এ পৌঁছে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল৷

কিন্তু মাইঞ্জের কোচ থমাস টুখেল যে তাঁর খেলোয়াড়দের কানে হাফটাইমে কি মন্ত্র দিয়েছেন, তা তিনি নিজেই জানেন৷ লড়াকু মাইঞ্জ হাল ছাড়া তো দূরের কথা, ঐ সেমসাইড গোল হজম করেই খেলার আর ১৩ মিনিট বাকি থাকতে জেতার গোলটিও নেটে ঝুলিয়ে দিল - ঝুলিয়ে দিলেন আডাম সালাই, ১৫ মিটার দূরত্ব থেকে৷ মাইঞ্জ জিতল ২-১ গোলে৷ কোচ টুফেল'কেও দেখা গেল চমৎকৃত৷ বায়ার্নের কোচ লুইস ফ্যান গাল বলেছেন, মাইঞ্জ এবার হয়তো চ্যাম্পিয়নশিপও জিততে পারে৷

Fußball Bundesliga 6. Spieltag FC St. Pauli - Borussia Dortmund

গোলের পরে ডর্টমুন্ডের কেভিন গ্রোসকয়েৎস এবং মার্সেল স্মেলৎসার

বোরুসিয়া ডর্টমুন্ডের কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ'ও তাঁর দল সম্পর্কে কোনো অভিযোগ করতে পারবেন না৷ ডর্টমুন্ড এখন ঠিক মাইঞ্জের পিছনেই, পয়েন্টের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে৷ বোরুসিয়া শনিবার সাংক্ট পাউলি'কে হারায় ৩-১ গোলে৷ শালকে নিজেদের মাঠে মোয়েনশেনগ্লাডবাখের বিরুদ্ধে ২-২ ড্র করতে পেরেই খুশী৷ ওদিকে স্টুটগার্ট স্বমাঠে বায়ার লেভারকুজেনের কাছে ৪-১ গোলে হেরে এখন তালিকার তলানি৷ ফ্রাংকফুর্ট হারিয়েছে নুরেমবার্গকে ২-০ গোলে৷ আর ব্রেমেন তাদের উত্তরের প্রতিদ্বন্দ্বী হামবুর্গকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে, তবে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

ইন্টারনেট লিংক