বিহারে গঙ্গায় ভাসমান প্রচুর দেহ, আশঙ্কা করোনায় মৃত | বিশ্ব | DW | 11.05.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

বিহারে গঙ্গায় ভাসমান প্রচুর দেহ, আশঙ্কা করোনায় মৃত

গঙ্গায় ভেসে এল প্রচুর মৃতদেহ। আশঙ্কা, মৃত ব্যক্তিদের করোনা হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের চৌসায়।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

বিহারের বক্সার জেলার চৌসায় ভয়াবহ দৃশ্য। সোমবার সেখানে গঙ্গায় ভেসে আসে প্রচুর মৃতদেহ। একসঙ্গে এতগুলি দেহ গঙ্গার তীরে পড়ে থাকতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায়। সেই মৃতদেহগুলিকে কুকুর ছিঁড়ে খাচ্ছিল।

প্রশাসনের আশঙ্কা, এগুলি করোনায় মৃতদের দেহ। কয়েকটি দেহ কিছুটা পোড়া। ফুলে গেছে। কয়েকদিন ধরে জলে ভেসেছিল। সরকারি কর্মকর্তাদের অনুমান, দেহগুলি এসেছে উত্তর প্রদেশ থেকে। গরিব মানুষরা সম্ভবত দাহ করার খরচ পর্যন্ত জোগাড় করতে পারেননি। সেই সঙ্গে করোনার ভয়ও আছে।

বক্সারের এসডিও কেকে উপাধ্যায় সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেছেন, ‘‘দূর থেকে ১০-১২টি মৃতদেহ ভেসে এসেছিল।প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, বিগত ৫-৭ দিন ধরে সেগুলি জলে ভাসছিল। জলে দেহ ভাসানোর প্রথা আমাদের এখানে নেই। দেহগুলির সৎকারের ব্যবস্থা করছি আমরা।''

সংবাদসংস্থা ডিপিএ-কে স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা নওল কান্ত জানিয়েছেন, ''৩৫-৪০টি দেহ ভেসে আসে। সেগুলি করোনা রোগীর বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সাধারণ সময়ে এক-দুইটি দেহ গঙ্গায় ভেসে আসে। কিন্তু এত দেহ কখনো আসে না। করোনার জন্যই এটা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।''

স্থানীয় মানুষরা সংবাদসংস্থা এএফপি-কে বলেছেন, তাদের মনে হচ্ছে, দেহগুলি শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু উত্তর প্রদেশ, বিহারের গরিব মানুষদের এখন দেহ দাহ করার খরচ জোগাড় করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। তারা সেখানেই দেহ ফেলে রেখে চলে গিয়েছিল বলে তাদের অনুমান। টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, দেহগুলির ময়নাতদন্ত হবে।

ভারতে এখন করোনা পরিস্থিতি রীতিমতো খারাপ। সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ রোজ আক্রান্ত হচ্ছেন। মারা যাচ্ছেন সাড়ে তিন থেকে চার হাজার মানুষ। উত্তর প্রদেশে করোনা লাফিয়ে বাড়ছে। বিহারের অবস্থাও ভাল নয়। পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পরেই করোনার বাড়বাড়ন্ত দেখা যাচ্ছে। দিল্লির অবস্থা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো হয়েছে। সোমবার দিল্লিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন বারো হাজারের বেশি মানুষ।

জিএইচ/এসজি (পিটিআই, এএনআই, এএফপি)