বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত লেভারকুজেনের মানুষ | বিশ্ব | DW | 29.07.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত লেভারকুজেনের মানুষ

আগুন নিভেছে। কিন্তু বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে জার্মানির লেভারকুজেনে। কার্যত গৃহবন্দি মানুষ।

আগুন লেগেছিল মঙ্গলবার। কিন্তু এখনো আতঙ্ক কাটেনি। জার্মানির লেভারকুজেনে এখনো কার্যত বাড়িতে আটকে সাধারণ মানুষ। বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগুনের ফলে মারণ গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়।

মঙ্গলবার লেভাকুজেনের একটি রাসায়নিক কারখানায় আগুন লাগে। প্রাথমিক ভাবে তিনজনের মৃত্যুর খবর দেওয়া হলেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাত। আহত বহু। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগুন লাগার পর যে ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়, তার সঙ্গে ক্ষতিকারক গ্যাস এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। অ্যামোনিয়াযুক্ত সেই গ্যাসে স্থানীয় মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এলাকায় অনেকেরই শ্বাসের কষ্ট শুরু হয়েছে। ওই কারখানার এক কর্মকর্তা সংবাদসংস্থা ডিপিএ-কে জানিয়েছেন, যে গ্যাস ছড়িয়ে পড়েছে, তা ক্ষতিকারক। এর থেকে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তেই পারেন।

 সমস্যা বুঝে স্থানীয় মানুষকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। খুব জরুরি দরকার ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। এমনকী, কিচেন গার্ডেন থেকেও কিছু তুলে খাওয়া যাবে না এখন। কারণ গ্যাসের প্রভাবে খেতের ফসলও নষ্ট হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কী ভাবে আগুন লাগল

কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, স্টোররুমে কয়েকটি রাসায়নিকের ড্রামে আগুন লেগে যায়। সেখান থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। কালো ধোঁয়ায় ভরে যায় গোটা এলাকা। তারপর থেকেই এলাকা ভরে আছে গ্যাসের গন্ধে।

ভোপালের স্মৃতি

কয়েক দশক আগে ভারতের ভোপালে এভাবেই একটি কেমিক্যাল কারখানায় আগুন লেগেছিল। বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। বহু মানুষ পঙ্গু হয়ে গিয়েছিলেন। অনেক বছর পরেও সেখানে বিকলাঙ্গ শিশুদের হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের অনেক দিন পরেও যে ভাবে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে রয়েছে এলাকায়, যে ভাবে খাবার, জল সব বিষাক্ত হয়েছে, তার প্রভাবেই বিকলাঙ্ক শিশুদের জন্ম হয়েছে।

ডয়চে ভেলেকে ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার দতন্তকারী এক অফিসার জানিয়েছেন, একবার এ ধরনের গ্যাস বাইরে বেরিয়ে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অনেক বছর সময় লেগে যায়। তবে জার্মানিতে যে ধরনের গ্যাস ছড়িয়ে গিয়েছে, তা ততটা বিষাক্ত নয় বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, ডিপিএ)

সংশ্লিষ্ট বিষয়