বিশ্ব হাতি দিবসে হস্তিশাবকের পয়লা কদম | বিষয় | DW | 13.08.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

পরিবেশ

বিশ্ব হাতি দিবসে হস্তিশাবকের পয়লা কদম

বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে জার্মান চিড়িয়াখানায় জন্ম নেওয়া হাতির বাচ্চাটি হাঁটলো৷ শিশু হাতির আফ্রিকান মা চুপা প্রেগনেন্সির ঠিক ৬৬৬দিন পরে দর্শনার্থীদের সামনে খুব গর্বভরে তা দেখালো৷

হাতিটির জন্ম ৫ আগস্ট৷ এই হাতি শিশুর জন্মের মধ্য দিয়ে জার্মানির এয়ারফুর্ট চিড়িখানার দর্শকরা প্রথমবারের মতো একটি হাতি পরিবারের নতুন সদস্যকে দেখতে পেল ৷ বিশ্ব হাতি দিবসে চিড়িয়াখানারভেতর শিশু হাতির প্রথম ভ্রমণটি বিশ্বের হাতি সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য উৎসর্গ করা হয়৷ 

জন্মের সময়  বাচ্চাটি ছিল ৯৩ সেন্টিমিটার আর ওর ওজন ১১৪ কেজি৷ জন্মের আগেই চিড়িয়াখানার কর্মীরা তার ঘরটিকে ‘‘শিশু নিরাপদ'' করে গোসলের জন্য বড় একটি বেসিনের ব্যবস্থা রাখে বলে জানায় জার্মান পাবলিক ব্রডকাস্টার এমডিআর৷

হাতির বাচ্চাটি তার দিনগুলি কাটাবে একটি ১১ হাজার স্কয়ার মিটার ঘরে যা জার্মানিতেহাতির জন্য সবচেয়ে বড় একটি ঘর ৷ আগামীতে জার্মানির অন্য হাতিদের সাথে বিশ্ব হাতি দিবসে হাঁটতে শেখা এই শিশুকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে৷ স্থানীয় পত্রিকা থ্যুরিঙ্গগার আলগেমাইনে প্রকাশ, সেসামী নামের অন্য চিড়িয়াখানার এক হাতি নাকি তাকে দেখার জন্য খুবই আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে!

 বিশ্ব হাতি দিবসটি প্রতিষ্ঠা করেন ২০১২ সালে ক্যানাডিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা প্যাট্রিসিয়া সিমস ও মাইকেল ক্লার্ক এবং থাইল্যান্ডের এলিফ্যান্ট রিইন্ট্রোডাকশন ফাউন্ডেশনের প্রধান শিভাপর্ন দারদারানন্দ৷ বিশ্ব হাতি দিবস পালনের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী হাতির সমস্যা মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা৷

এক সময় এশিয়া এবং আফ্রিকায় প্রচুর হাতি ছিলো তবে বিংশ শতাব্দীতে এদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে৷ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচারের তথ্য অনুযায়ী হাতিরদাঁতের অবৈধ ব্যবসা এর মূল কারণ৷

কেট মার্থির/এনএস/কেএম