বিশ্বে সন্ত্রাসজনিত মৃত্যু হার কমেছে | বিশ্ব | DW | 05.12.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

বিশ্বে সন্ত্রাসজনিত মৃত্যু হার কমেছে

সারা বিশ্ব চলমান সন্ত্রাসবাদ নিয়ে নাকাল হলেও ২০১৮ সালে সন্ত্রাসজনিত মৃত্যুর হার কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে৷ বুধবার ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ্যান্ড পিস থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়৷

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, সন্ত্রাসবাদের সূচকে মৃত্যুর হার তুলনামূলকভাবে কমেছে৷ বলা হয়, সন্ত্রাসবাদের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ইরাক৷ এই তালিকায় যথাক্রমে শীর্ষ পাঁচে রয়েছেআফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, সিরিয়া ও পাকিস্তান৷ প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ২০১৬ এবং ১৭ সালের তুলনায় ২৭ শতাংস মৃ্ত্যু কমেছে সারা বিশ্বে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সন্ত্রাসেবাদের শিকার শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আধিক্য রয়েছে৷ গতবারের মতো এবারও ইরাক ও সিরিয়া সবার প্রথমে রয়েছে৷ যদিও গত বছরের তুলনায় ইরাকে পাঁচ হাজারেরও কম লোক মারা গেছে৷ ২০১৬ সালের সঙ্গে তুলনা করে সিরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে এক হাজার৷

এদিকে এই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ২০১৭ সালের মতো এবারও বিশ্বের শীর্ষ সন্ত্রাসবাদী দল ইসলামিক স্টেট তথা আইএস৷ তবে এর ক্ষমতা ও কার্যক্রম সীমিত হয়ে এসেছে ইতিমধ্যে৷ ফলে ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা কমেছে৷

স্থানীয় সামরিক বাহিনী ও সহায়তাকারী আন্তর্জাতিক সামরিক বাহিনীগুলো বিভিন্নস্থানে আইএসকে দমন করতে পারায় এই সফলতা এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে৷

এদিকে ইউরোপে চোখে পড়বার মতো সন্ত্রাসী কার্যক্রম কমেছে৷ ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিক্স অ‌্যান্ড পিস উল্লেখিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১৭ সালের তুলনায় পরিসংখ্যান ৭৫ শতাংশ কমেছে৷

পশ্চিম ইউরোপে সন্ত্রাসজনিত কারণের হত্যার সংখ্যা গত এক বছরে আশাবাদী হওয়ার মতো কমেছে৷ ২০১৬ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৬৮, যেখানে ২০১৭ সালে এটি ৮১তে নেমে এসেছে৷

অন্যদিকে প্রতিবেদনটিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কট্টরপন্থিদের মৌলবাদী আচরণ বিশ্বে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাড়িয়েছে৷ ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে৷

ইনস্টিটিউট ফর ইকোনোমিকস অ‌্যান্ড পিসের প্রতিবেদনটি বিশ্বের ১৬৩টি দেশের ওপর তৈরি করা হয়৷

এফএ/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন