বিশ্বের অর্ধেক দেশ বাংলাদেশের পেছনে | বিশ্ব | DW | 03.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ওয়ার্ল্ড গিভিং ইনডেক্স

বিশ্বের অর্ধেক দেশ বাংলাদেশের পেছনে

পরের উপকার করার সূচকে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি দেশের মানুষকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশের জনগণ৷ আর এশিয়ায় আছে নবম অবস্থানে৷ সূচকটি প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংস্থা চ্যারিটি এইড ফাউন্ডেশন৷

জরিপের আওতায় থাকা বিশ্বের ১৪৬টি দেশের মধ্যে ৭৪ নম্বরে বাংলাদেশের অবস্থান৷ আর এশিয়ায় নবম অবস্থানে৷ তিনটি বিষয়ের ওপর তথ্য নিয়ে একটি দেশের স্কোর নির্ধারণ করা হয়৷ সেখানে বাংলাদেশের গড় স্কোর ৩১। ২০১৭ সূচকের চেয়ে ২০১৮ সূচকে সবচেয়ে উন্নতি করা প্রথম তিনটি দেশের একটি বাংলাদেশ৷ এক ও দুই নম্বরে আছে কঙ্গো ও প্যারাগুয়ে৷

কী এই পরহিতৈষী সূচক?
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণী সংস্থা ‘গ্যালাপ'-এর ডেটা বিশ্লেষণ করে মূলত এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ‘চ্যারিটি এইড ফাউন্ডেশন' নামের যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সংস্থা৷ গ্যালাপের তথ্য নিয়ে বিশ্বের কয়েকটি সংস্থা বেশ জনপ্রিয় কিছু জরিপ ও গবেষণা পরিচালনা করে৷ এর মধ্যে রয়েছে হ্যাপিনেস ইনডেক্স ও ফিন্যান্সিয়াল লিটারেসি ইনডেক্সের মতো গবেষণা৷ ২০১৭ সাল জুড়ে বিশ্বের ১৪৬টি দেশের গ্রাম ও শহরের নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের কাছে গিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়৷ সেখানে অন্যান্য প্রশ্নের মধ্যে ছিল-
‘আপনি গত মাসে এই তিনটি কাজের কোনোটি করেছেন?
- চেনেন না এমন কাউকে সাহায্য করেছেন?
- কোনো চ্যারিটিতে দান করেছেন?
- কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় স্বেচ্ছাশ্রম দিয়েছেন?'
একটি দেশের নমুনা জনসংখ্যার এসব উত্তরের ভিত্তিতে সারাদেশের জন্য একটি ফলাফল প্রাক্কলন করে ‘গিভিং ইনডেক্স' বা ‘পরহিতৈষী সূচক' তৈরি করা হয়৷

বাংলাদেশ ও এশিয়া
পরহিতৈষী সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ৭৪ হলেও, সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে বেশি অচেনা মানুষকে উপকার করার সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি ৭ম৷ তবে শতকরা হারের হিসেবে অচেনা মানুষকে উপকার করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৪৷ দান খয়রাত করার ক্ষেত্রে ৭৯তম অবস্থানে, আর স্বেচ্ছাশ্রম দেবার ব্যাপারে ১১০ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ৷
তবে বিশ্ব সূচকে শীর্ষ অবস্থানে নেই কোনো ধনী দেশ৷ এক নম্বরে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া৷ সিঙ্গাপুর ৭ ও মিয়ানমার ৯ নম্বরে রয়েছে৷ ২০১৭ সালে মিয়ানমার এক নম্বরে থাকলেও এবার ৯ ধাপ পিছিয়েছে৷
এশিয়ার শীর্ষ দশে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও সিঙ্গাপুর ছাড়া রয়েছে, শ্রীলঙ্কা, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন্স৷

চ্যারিটি এইড ফাউন্ডেশন তাদের রিপোর্টে বলেছে যে, এই জরিপসহ তাদের এ সংক্রান্ত কাজগুলো গত ৯০ বছর ধরে দাতা সংস্থাগুলোকে আরো গভীরভাবে কাজ করতে সহযোগিতা করছে৷



জেডএ/জেডএইচ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন