বিশ্বজুড়ে প্রশ্নবিদ্ধ মানবাধিকার কর্মীরা! | বিশ্ব | DW | 07.02.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মানবাধিকার

বিশ্বজুড়ে প্রশ্নবিদ্ধ মানবাধিকার কর্মীরা!

বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার কর্মীরা জনবিচ্ছিন্ন ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছেন৷ সাংবাদিকদের সহিংসতার শিকার হওয়া নিয়ে স্টেট অফ সিভিল সোসাইটির করা প্রতিবেদনে এমন চিত্রই উঠে এসেছে৷ এনজিও ও মানবাধিকার কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে৷

চার হাজার সদস্যের স্টেট অব  সিভিল সোসাইটির প্রতিবেদনে দেখা যায়, কিরঘিস্তানের সরকারপন্থি সমালোচকদের বর্ণনায় ভূমধ্য সাগরে শরণার্থী উদ্ধারকারী মানবাধিকারকর্মীরা ‘পাচারকারী’ হিসেবে উঠে আসছেন৷ অন্যদিকে মেক্সিকোতে প্রতি ১৬ ঘণ্টায় একজন করে সাংবাদিক হামলার শিকার হচ্ছে৷

জোহানেসবার্গভিত্তিক স্টেট অব সিভিল সোসাইটি, অর্থাৎ সিভিকাস ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্সের এক সম্মেলনে এই প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়৷ তবে প্রতিবেদনটির বক্তব্যে আপত্তি জানিয়েছেন এনজিও কর্মীরা৷

প্রতিবেদনটিতে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের জন্য বৈশ্বিক সমাজকে পাঁচভাগে ভাগ করা হয়েছে৷ এগুলো হচ্ছে উন্মুক্ত, দমন, বাধাগ্রস্ত, সংকীর্ণ এবং বন্ধ৷

জার্মানি ও ক্যানাডাসহ ৪৫টি দেশে উন্মুক্ত সমাজ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে৷ এসব স্থানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে৷ আর ৫৩টি দেশে দমনভিত্তিক সমাজ পরিচালিত হয়, এর মধ্যে হাঙ্গেরি, বলিভিয়া ও ব্রাজিল উল্লেখযোগ্য৷ এসব সমাজে জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হতে পারে, কিন্তু সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা তাঁদের মত প্রকাশ করতে পারেন না৷ নিপীড়নভিত্তিক সমাজ হিসেবে ৩৫টি দেশ চিহ্নিত হয়েছে৷ এর মধ্যে আফগানিস্তান, রাশিয়া উল্লেখযোগ্য৷ আর সিরিয়া, কিউবা ও যুদ্ধবিধ্বস্ত আফ্রিকার দেশগুলোর সমাজকে ‘বন্ধ’ ঘোষণা করা হয়েছে৷

এ প্রতিবেদন প্রসঙ্গে ব্রাজিলের মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন কনেকটাস-এর কর্মী ক্যামিলা আসানো বলেন, ‘‘বিশ্বজুড়ে আমাদের প্রতি আচরণ ও বিশ্লেষণ চোখে পড়বার মতো করে বদলেছে৷’’ তিনি জানান, ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় মানবাধিকার কর্মী হিসেবে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা অসংখ্যবার প্রকাশ্যে অপদস্থ হয়েছেন৷

একই কথা বলেন, জার্মান প্রটেস্ট্যান্ট চার্চভিত্তিক ত্রাণ সংস্থা ‘ব্রেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর মুখপাত্র অ্যানি ড্রেয়ার৷ তিনি বলেন, সামাজিক সংস্থা ও সমাজের সুযোগ কর্তনের যে প্রবণতা চালু হয়েছে, সেটি ইউরোপেও কড়া নাড়ছে৷

আস্ত্রিদ প্রাঞ্জে/এফএ

গতবছর এপ্রিলের ছবিঘরটি দেখুন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন