বিশ্বকাপ বিজয়ীদের নিয়ে পাঠকদের অনুভূতি | পাঠক ভাবনা | DW | 17.07.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মতামত

বিশ্বকাপ বিজয়ীদের নিয়ে পাঠকদের অনুভূতি

‘‘আমার কাছে ফাইনাল খেলাটা খুবই বিস্ময়ের মনে হয়েছে এবং মনে থাকবে,'' পাঠকদের কেউ কেউ বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখার পর এভাবেই তাঁদের অনুভূতি তুলে ধরেছেন ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায়৷

‘‘আমার কাছে ফাইনাল খেলাটা খুবই বিস্ময়ের মনে হয়েছে এবং মনে থাকবে৷ কারণ, ফরাসিরা প্রথমে খুব ভীত ছিল৷ এটা তাঁদের মনস্তাত্ত্বিক কৌশলও হতে পারে! এজন্য ক্রোয়াটরা ওভার কনফিডেন্ট হয়ে পড়ে৷ নিজেদের হেডে গোল খাওয়ার এটা একটা কারণ হতে পারে৷ এরপর গোল শোধ করেই সে হ্যামস্ট্রিং পেশী দেখাতে থাকে৷ এটা অধঃপতনের প্রথম লক্ষণ৷ পেনাল্টিটা রেফারি এড়াতে পারে না, কারণ, ভিডিও টেকনোলজি৷ এই গোলে ফরাসিরা তাঁদের উদ্যম ফিরে পায়৷ এবং এখান থেকেই তাঁরা জয়ী হবার বাসনা ফিরে পায় এবং গোল পেয়ে যায়৷''

‘‘এরপর ৭০ মিনিটের পর ক্রোয়াটদের ভিতরে ভীতি ঢুকে পড়ে৷ এজন্য তাঁরা আর চাঙা হতে পারেনি৷ কমেডি গোলটাই সান্ত্বনা৷ ফরাসিরা ক্ষুদ্র হয়েও বৃহৎকে কুপোকাত করেছে- এটাই তাদের কৃতিত্ব৷ সব মিলিয়ে রাশিয়ায় বিশ্বকাপ সহজে ভুলে যাবার মতো না৷'' বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা দেখে ডয়চে ভেলের পাঠক সালেক মোহাম্মদ এভাবেই তার অনুভূতি জানিয়েছেন৷

আর ফরাসী দলের ভক্ত পাঠক আওলাদ হোসেন লিখেছেন, ‘‘যোগ্য দল হিসেবেই ফ্রান্স বিশ্বকাপ জয় করলো৷ সেই জিনেদিন জিদানের আমল থেকে ফ্রান্সের প্রতি ভালোবাসা৷ আজ তারা সে ভালোবাসার প্রতিদান দিলো৷''

পাঠক হাফিজুর রহমান বিশ্বকাপ জয়ী ফরাসী দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন৷

আর ফেসবুকে সুজন গুপ্তের মন্তব্য,‘‘ভাগ্যের রথ ফ্রান্সের পক্ষে ছিল এই টুর্নামেন্টে৷ এবং তারা গতিময় ফুটবল খেলেছে৷ তাই অভিনন্দন ফরাসি দলকে৷''

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী

নির্বাচিত প্রতিবেদন