বিশেষ ফ্লাইটের সাতটি বাতিল | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 17.04.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

বিশেষ ফ্লাইটের সাতটি বাতিল

লকডাউনের মধ্যে আটকেপড়া প্রবাসীদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশের বিশেষ উদ্যোগে চালু করা ১৪টি ফ্লাইটের অর্ধেকই বাতিল হয়েছে৷ এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সেরই পাঁচটি ফ্লাইট রয়েছে৷

শনিবার বাংলাদেশ থেকে প্রবাসীদের নিয়ে পাঁচটি দেশে মোট ১৪ টি ফ্লাইট যাত্রা করার কথা ছিল৷ কিন্তু এর মধ্যে সাতটি ফ্লাইটই বাতিল হয়েছে৷ বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক তৌহিদ উল আহসান বলেন, ‘‘এর মধ্যে বিমানের আসা-যাওয়াসহ পাঁচটি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাজেট এয়ারলাইন্স ফ্লাই দুবাইয়ের দুটি ফ্লাইট রয়েছে৷ সকাল থেকে শুধু সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইট যাত্রীদের নিয়ে মাস্কাট রওনা হয়েছে৷ সন্ধ্যায় বিমানের একটি ফ্লাইট জেদ্দা যাওয়ার কথা রয়েছে৷’’

ফ্লাইট বাতিল হওয়ার জন্য সৌদি আরবে অবতরণের অনুমতি না পাওয়া ও যাত্রী স্বল্পতাকে দায়ী করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স৷ প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ শাখার উপমহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার বলেন, ‘‘সকাল ৬টায় ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ফ্লাইটের ল্যান্ডিং পারমিশন পেতে দেরি হওয়ায় সেটি বাতিল করা হয়৷ এছাড়া যাত্রী স্বল্পতার কারণে দুপুরে নির্ধারিত দুবাইগামী দুটি ও দাম্মামগামী একটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে৷’’

বাতিল হওয়া পঞ্চম ফ্লাইটের বিষয়ে তৌহিদ উল আহসান জানান, বিমানের যে ফ্লাইটি সকালে রিয়াদ যাওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যায় সেটার ফিরতি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে৷

যাত্রীদের ভোগান্তি

এদিকে আগে থেকে ঘোষণা না দেয়ায় বিমানবন্দরে এসে ভোগান্তিতে পড়েন অনেক যাত্রী৷ উড্ডয়নের কয়েক ঘণ্টা আগে রিয়াদগামী ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে দাবি করেন এর যাত্রীরা৷ ভোররাতে বিমানবন্দরে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷ তবে বিমান বাংলাদেশের দাবি তারা আগে থেকে তথ্য জানিয়েছে৷ এ বিষয়ে তাহেরা খন্দকার বলেন, ‘‘অনেক যাত্রী ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে টিকিট কেনেন৷ বিমানের কাছে ট্রাভেল এজেন্টদের মোবাইল নম্বরই থাকে৷ বিমানের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইট বাতিলের তথ্য জানানো হয়৷ এক্ষেত্রেও সেটা করা হয়ে থাকতে পারে৷’’

অবশ্য ফ্লাইটটির যাত্রীদের হোটেলে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি৷  ‘‘ওই ফ্লাইটের ২০১ জন যাত্রীকে আমরা হোটেলে রেখেছি৷ পরের ফ্লাইটে তাদের পাঠানোর চেষ্টা করছি৷ এছাড়া অন্য দুই গন্তব্যের তিনটি ফ্লাইট বাতিলের তথ্য যাত্রীদের আগেই জানানো হয়েছে,’’ বলেন তিনি৷

লকডাউনে আটকেপড়া প্রবাসীদের ফেরত পাঠাতে পাঁচটি দেশের আটটি গন্তব্যে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। আটটি গন্তব্য হলো- সৌদি আরবের রিয়াদ, দাম্মাম ও জেদ্দা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও আবুধাবি, ওমানের রাজধানী মাস্কাট, কাতারের রাজধানী দোহা ও সিঙ্গাপুর৷

এফএস/এইআই (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়