বিল খেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন | বিশ্ব | DW | 06.06.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

বিল খেলাপিদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করে বিল খেলাপিদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বাড়াতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সেবা সংস্থার মতামত নিচ্ছে৷

সোমবার বেলা ১১টায় সংশ্লিষ্টদের নিয়ে নির্বাচন ভবনে বৈঠকে বসেছে ইসি৷ কাজী হাবিবুল আউয়ালের কমিশন দায়িত্ব নিয়ে প্রথমবার আইন সংস্কার বিষয়ে মতামত নেওয়া হচ্ছে৷ এ সভায় অন্তত ১৪ জন বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে৷ সিইসি, চার নির্বাচন কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত আছেন৷

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বৈঠক শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন,  ‘‘ঋণখেলাপি ও বিলখেলাপি হলে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে একটু অস্পষ্টতা রয়েছে৷ অনেক ক্ষেত্রে বড় ঋণ খেলাপি পুনঃতফসিল করে ভোটে অংশ নিতে পারেন৷ কিন্তু কারো অজান্তে কয়েকশ টাকার বিলের জন্যও প্রার্থী হতে পারেন না কেউ কেউ৷

 ‘‘এমন পরিস্থিতিতে খেলাপি হলে তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মামলা করারও বিধান রয়েছে৷ মামলা না হওয়ার আগেই কাউকে মনোনয়ন বঞ্চিত না করে সবার জন্য সমান সুযোগ দিতেই আর্থিক ও সেবা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তিদের মতামত নেওয়া হচ্ছে৷’’

এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘‘সব দিক বিবেচনা করে কেউ যেন অধিকার বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আরপিও সংস্কারের মতো উদ্যোগ নেওয়া হবে৷”

বর্তমানে আরপিওতে কৃষি ও অন্যান্য ক্ষুদ্র ঋণ  এবং ব্যক্তিগত বিল (টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা সেবা সংস্থার বিল) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অন্তত সাত দিন আগে পরিশোধ করা থাকতে হয়৷

আপিও সংশোধনের প্রস্তাবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগের দিন পর্যন্ত পরিশোধ করার সুযোগ রাখার কথা বলা হয়েছে৷

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ‘‘কোটি টাকার ঋণ নিয়েও অনেকে পার পেয়ে প্রার্থী হচ্ছেন, আবার হাজার টাকার জন্য কারো মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাচ্ছে৷ এমন বৈষম্য দূর করতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হবে৷’’

এনএস/কেএম (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়