বিপদের ঝুঁকিতে বিশ্বের ৮১ শতাংশ কিশোর | বিশ্ব | DW | 22.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য

বিপদের ঝুঁকিতে বিশ্বের ৮১ শতাংশ কিশোর

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) জানাচ্ছে, ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের ন্যূনতম ব্যায়ামের অভ্যাস না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য৷

স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য বাড়ন্ত কিশোর-কিশোরীদের প্রয়োজন ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম৷ শুধু নিয়ম মেনে ব্যায়াম বা খেলাধুলা নয়, সাইকেল চালানো, সাঁতার বা হাঁটাও এই বিকাশে সাহায্য করতে পারে৷ কিন্তু ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সিরা পর্যাপ্ত শারীরিক কসরত করছে না৷ ফলে, বিশ্বের ৮১ শতাংশ কিশোর-কিশোরীর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে৷

দিনে ন্যূনতম এক ঘণ্টাব্যাপী কোনো কায়িক পরিশ্রমটুকুও না করার ফলে এমন অবস্থা, জানাচ্ছে ডাব্লিউএইচও বা হু-র একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদন৷ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ফিওনা বুল শুক্রবারে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের লেখকদের একজন৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রতি পাঁচজন কিশোরের মধ্যে চারজনই কোনো ধরনের ব্যায়াম করে না৷ এর ফলে ব্যায়ামের মানসিক, সামাজিক ও শারীরিক উপকার থেকে তারা বঞ্চিত থাকে৷’’

২০০১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোট ১৪৬টি দেশের ১৬ লক্ষ কিশোর-কিশোরীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তি তৈরি হয়েছে এই প্রতিবেদন৷ সমীক্ষায় দেখা গেছে, ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা অনেক বেশি সচল৷

কেন ব্যায়ামে অনীহা?

প্রতিবেদনের আরেক লেখকের মতে, কিশোরদের মধ্যে ব্যায়ামে অনীহা সৃষ্টির পেছনে রয়েছে প্রযুক্তির ভূমিকা৷ জীবন যাপনের ধরন-জনিত রোগ বিশেষজ্ঞ লিয়েন রাইলি বলেন, ‘‘ইলেক্ট্রনিক বা বৈদ্যুতিন বিপ্লব আমাদের কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এক ধরনের আলস্য সৃষ্টি করেছে, যার কারণে তারা আগের তুলনায় কম হাঁটে, কম খেলাধুলা করে, গাড়িঘোড়া কম চালায়৷ বিপরীতে এক জায়গায় বসে থাকাতেই তাদের বেশি স্বাচ্ছন্দ্য৷’’

এছাড়া দেশের অবকাঠামো এবং সামাজিক নিরাপত্তার মতো কারণও প্রাসঙ্গিক হতে পারে, জানাচ্ছে প্রতিবেদনটি৷ 

দিনে এক ঘন্টার কায়িক পরিশ্রম না করার মধ্যে রয়েছে গবেষণার অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশের ৬৬ শতাংশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার ৯৪ শতাংশ কিশোর-কিশোরী৷ রাইলি আরো জানান, একাধিক দেশে শারীরিক পরিশ্রম না করার পাশাপাশি কিশোরদের খাদ্যাভ্যাসে বাড়ছে চিনির পরিমাণ৷ ফলে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে স্থূলতা, হৃদরোগ, পেশি ও হাড়ের রোগ ছাড়াও অন্যান্য উপসর্গ৷

এসএস/এসিবি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন