বিনৎস সমুদ্রতটে বালু শিল্পীদের সৃষ্টিকর্ম | অন্বেষণ | DW | 01.06.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

বিনৎস সমুদ্রতটে বালু শিল্পীদের সৃষ্টিকর্ম

ভারতের বালু শিল্পী সুদর্শন পট্টনায়েকের দৌলতে শিল্পের এই শাখার বিষয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় যথেষ্ট সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে৷ জার্মানির এক সমুদ্রতট গোটা বিশ্বের বালু শিল্পীদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে৷

বুদ্ধমূর্তি হোক, অথবা টেরাকোটা আর্মি – এ এক নিজস্ব জগত৷ মূর্তি, মহাসাগর ও মহাদেশ – সবই বালু দিয়ে তৈরি৷ শিল্পীরা ভেবেচিন্তে কোনো বিষয়কে বাস্তব রূপ দেন৷ কয়েকটি নমুনার ভিত্তিতে প্রেরণা পাওয়া যায়৷ বাকিটা ঘটনাস্থলেই সৃষ্টি করা হয়৷ হাঙ্গেরির বালু শিল্পী জল্ট টোট বলেন, ‘‘আমাদের স্বাধীনতা রয়েছে৷ আমরা জগতের ব্যাখ্যা দিতে পারি৷ ভ্রমণই আমার ব্যাখ্যা৷ ট্রেন, বাস, বিমান, নৌকা, সাঁতার থেকে যেটা খুশি বেছে নিতে পারেন৷''

রিও-র বিখ্যাত কার্নিভাল দর্শনও এই ভ্রমণের অঙ্গ হতে পারে৷ ৫০ জন আন্তর্জাতিক শিল্পী বালু দিয়ে বিখ্যাত, দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান বা ব্যক্তির রূপ ফুটিয়ে তুলছেন৷ জার্মানির বিনৎস সমুদ্রতটও বালু শিল্পীদের বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে৷ জায়গাটির সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের শিল্পী মারিকে ফান ডেয়ার মেয়ার-এর একটি ব্যক্তিগত স্মৃতিও জড়িয়ে রয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘‘এখানেই আমার রুশ স্বামীর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল৷ সেও এই প্রকল্পের শিল্পী৷ প্রতিবার গাড়ি চেপে বিশাল সেতু পেরিয়ে এখানে এলে মনে হয় নিজের বাসায় এলাম৷''

মহাকাশ যাত্রাও এই প্রদর্শনীর অঙ্গ৷ বালু দিয়ে যতটা সম্ভব বাস্তব রূপ ফুটিয়ে তুলতে পানি অপরিহার্য৷ বালু দিয়ে কিছু তৈরি করার সময়ে অনেক শিল্পী যেন ধ্যানমগ্ন হয়ে পড়েন৷

স্থাপত্যের ছাত্র এভাঙ্গেলোস স্টাফিলিডিস-এর কাছে বিশ্বভ্রমণ জীবনদর্শনেরই অঙ্গ৷ তিনি বলেন, ‘‘গোটা জীবনটাই আসলে ভ্রমণেরই নামান্তর৷ এই সব প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক জায়গা দেখার, সেখানে আজব কিছু সৃষ্টির সুযোগ হয়৷ এটা আমার জীবনের অংশ হয়ে পড়েছে৷''

আগামী ৪ঠা নভেম্বর পর্যন্ত বালুর তৈরি এই সব ভাস্কর্য বিনৎস শহরে প্রদর্শিত হচ্ছে৷

রোব্যার্ট  শুব্যার্ট/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়